রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

ভারতজুড়ে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও প্রতিবাদকে সমর্থন জানিয়ে নয়াদিল্লি, মুম্বাই ও হায়দরাবাদের চিকিৎসকরা একদিনের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। ফলে এই সব হাসপাতালের আউটডোর এবং অন্যান্য সেবা কার্যত বন্ধ রয়েছে। খবর এনডিটিভির।

নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসের (এইমস) সুপারিটেন্ডেন্ট ডিকে শর্মা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘ইমার্জেন্সি সেবা স্বাভাবিক থাকবে। রেসিডেন্ট চিকিৎসকরা ইমার্জেন্সি সেবা দেবেন অন্যদিনের মতোই।

এইমসে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর আত্মীয় জানিয়েছেন, তার মায়ের ডায়ালিসিস আজ হওয়ার কথা। তাদের বলা হয়েছে চলে যেতে এবং অন্য কোথাও থেকে এটা করিয়ে নিতে।

সোমবার থেকে চলা জুনিয়র চিকিৎসকদের ধর্মঘটের ফলে রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালের সেবা ব্যাহত হয়েছে। গত চার দিন ধরে ইমার্জেন্সি বিভাগ, আউটডোর বিভাগ ও প্যাথলজিক্যাল বিভাগের পরিষেবা মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না ব্যক্তিগত চিকিৎসা সেবাও।

রোগীর আত্মীয়স্বজনের হাতে এক জুনিয়র চিকিৎসকের আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদে ওই ধর্মঘট ডেকেছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের পক্ষে জানানো হয়েছে, যতক্ষণ না তারা নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তারা কাজে ফিরবেন না।

কলকাতার এক সরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিকিৎসকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কাজে ফিরতে হবে। যারা কাজে ফিরতে চান না, তাদের চাকরি ছেড়ে দিতে বলেন তিনি।

মমতা বলেন, সরকার এসব চিকিৎসকদের কোনওভাবেই সমর্থন করবে না। যে চিকিৎসকরা ধর্মঘটে সামিল হয়েছেন আমি তাদের নিন্দা করছি। কাজের সময় পুলিশ কর্মীরা মারা যান। কিন্তু পুলিশরা তো ধর্মঘটে বসেন না। তিনি বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে ওই ধর্মঘটে ইন্ধন জোগানের জন্য দায়ী করেছেন। অভিযোগ এনেছেন, তারা ‘হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি' করছে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ