শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

ইসকনের প্রসাদ বিতরণে তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি আল্লামা কাসেমীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘ইসকন’ তাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের রথযাত্রা উপলক্ষে চট্টগ্রামের বেশ কিছু স্কুলে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ কার্যক্রম চালানোয় তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’র মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।

আজ (১৭ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ইসকনের লোকেরা গেরুয়া বসন গায়ে স্কুলের শিশু-কিশোর ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে হিন্দু সংস্কৃতি মতে প্লেটে অতিরিক্ত কাগজ দিয়ে খাবার পরিবেশন করছে এবং তাদেরকে হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে, মাতাজি প্রসাদ কি জয়; এসব হিন্দু ধর্মীয় নামজপ করাচ্ছেন।

আল্লামা কাসেমী বলেন, ভিন্ন ধর্মের দেবতার নামে উৎসর্গিত প্রসাদ মুসলমানদের জন্য ভক্ষণ করা ইসলামের আলোকে হারাম। তাছাড়া হিন্দুদের ‘হরে কৃষ্ণ রাম রাম’ স্লোগান দেয়াও মুসলমানদের আকিদা-বিশ্বাসের ঘোরতর বিরোধী তথা শিরক। ৯২% মুসলিম অধ্যুষিত দেশের স্কুলে, যেখানে অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীই মুসলিম,সেখানে ইসলামী আকিদা-বিশ্বাস ও মুসলিম চেতনাবোধের উপর এমন অবমাননাকর আঘাত চলছে।

জমিয়ত মহাসচিব প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে হিন্দুত্বের এসব কার্যক্রম পরিচালনার সাথে জড়িত ও অনুমতিদাতাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের উদ্দেশ্য উদঘাটন এবং কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এর মাধ্যমে তারা মুসলিম চেতনাবোধের উপর যেমন মারাত্মক আঘাত হেনেছে, তেমনি সাম্প্রদায়িক উস্কানীর অপচেষ্টা চালিয়ে দেশে গোলযোগ তৈরির ষড়যন্ত্র করেছে।

তিনি বলেন, মারপিটের ভয় দেখিয়ে ভারতে মুসলমানদেরকে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো যেমন সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন ও অপরাধ, তেমনি খাবারের লোভ দেখিয়ে কোমলমতি মুসলিম স্কুল শিক্ষার্থীদের ‘হরে কৃষ্ণ’ বলানোও সমপর্যায়ের সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন ও অপরাধ। দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে ক্রমবর্ধমান হিন্দুত্ববাদীদের প্রভাব ও আগ্রাসন চেষ্টা জনমনে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ