মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

ইসলাহি চিঠিপত্র লেখার ১০ নিয়ম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চিঠি একজনের পক্ষ থেকে অন্যজনের জন্য লিখিত বার্তা। চিঠি দুপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখে। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ চিঠি আদান-প্রদান করেছে। নফসের এসলাহীর জন্য চিঠি ব্যবহারের প্রচলন ছিল।

মুরিদ নিজের অবস্থা বর্ণনা করে চিঠি লিখতো। তার পীর তাকে অবস্থার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন আমল দিতো। বর্তমান আধুনিক সময়েও চিঠি ব্যবহার একদম শেষ হয়ে যায়নি। এখনো কেউ কেউ চিঠি ব্যবহার করে থাকে। সেজন্য আজকে আমাদের এ আয়োজন।

১. একদম উপরে বিসমিহী তা‘আলা।

২. সালাম লিখার পর বিষয়বস্তু শুরু করবে।

৩. কাগজের মধ্যে লম্বা ভাবে মাঝখানে ভাজ করবে, তার পর ডান অর্ধেকে লিখবে এবং বাম অর্ধেকে জবাবের জন্য খালি রাখবে।

৪. ইসলাহী সম্পর্ক কায়েম এর এজাযত না নিয়ে ইসলাহী চিঠি লিখবে না।

৫. প্রত্যেক চিঠির উপরে বিস্‌মিহী তা‘আলার নিচে চিঠি নং…… লিখবে।

৬. চিঠি খামের ভিতরে দিবে, খামের উপর শুধু নিজের নাম ও ঠিকানা লিখবে (এটা হাতে হাতে নেয়ার ক্ষেত্রে)।

৭. প্রত্যেক চিঠির সাথে আগের চিঠির ফটোকপিও দিয়ে দিবে।

৮. এক চিঠিতে একটা সমস্যার বেশি উল্লেখ করবে না, এক পাতার ভিতরে শেষ করতে চেষ্টা করবে, একান্ত প্রয়োজন হলে ভিন্ন কথা।

৯. পরামর্শ অনুযায়ী কতটুকু আমল করা হয়েছে? এবং ফলাফল কি? তা অবশ্যই উল্লেখ করবে।

১০. চিঠির শেষে নাম ঠিকানা ও তারিখ লিখবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ