রকিব মুহাম্মদ : শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সমকালীন বিশ্বে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরির লক্ষ্যে ১৬ বছর মেয়াদী পাঠ্যক্রম প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে কওমি মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষাসংস্থা ‘আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’।
এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও দেশের সকল মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষাবোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করতে হাইয়াতুল উলইয়ার কো-চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলীর নেতৃত্বে ২০ সদস্যের একটি সাব কমিটি গঠন করেছে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ এ অথরিটি।
সূত্র মতে, ২০০৬ সালে ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীনে ষোল বছর মেয়াদী এই পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও বোর্ড সদ্যেদের মতের ভিন্নতার কারণে সেই পাঠ্যক্রম আলোর মুখ দেখেনি।
২০১৩ সালে সরকারের পক্ষ থেকে কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদীসকে (তাকমিল) মাস্টার্স সমমান দেওয়ার পর বেফাক ও হাইয়াতুল উলইয়া কর্তৃপক্ষ নতুন করে পাঠ্যক্রম প্রণয়নের ব্যাপারে ভাবতে শুরু করে।
এছাড়া হাইয়াতুল উলইয়ার অধীনে থাকা কওমি মাদরাসাভিত্তি ৬টি শিক্ষাবোর্ডের নেসাবে তালিমের ভিন্নতার কারণে দাওরায়ে হাদীসের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় ব্যবস্থাগত ত্রুটি দেখা দিলে সেই ভাবনা বাস্তবে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা করে বেফাক ও হাইয়াতুল উলইয়া।
এ কারণে ২০০৬ সালে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া কর্তৃক প্রণয়নকৃত পাঠ্যক্রমকে ঈষৎ পরিমার্জন করে কওমি মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষা বিষয়ক সংস্থা ‘আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ ষোল বছর মেয়াদী ‘পাঠ্যক্রম প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়।
এদিকে, গত ২৭ জুলাই (শনিবার) রাজধানীর জামিয়া ইমদাদুল উলুম ফরিদাবাদ মাদরাসায় ১৬ বছর মেয়াদী কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মজলিসে শূরার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে দেশের সর্ববৃহৎ কওমি মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষাবোর্ড ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ’ ষোল বছর মেয়াদী কওমি মাদরাসার পাঠ্যক্রমের একটি খসড়া প্রস্তাবনা পেশ করা হয়। প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজন পূর্বক আসন্ন ঈদুল আজহার পর আরেকটি বৈঠকে এ খসড়া প্রসà