রকিব মুহাম্মদ: সম্প্রতি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের দাবি আমলে নিয়ে ১৬ বছর মেয়াদী পাঠ্যক্রম প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি ‘আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’। সংস্থাটি বরাবর মাদরাসার পাঠ্যক্রমের একটি খসড়া প্রস্তাবনা পেশ করা হয় কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া-এর পক্ষ থেকে।
সূত্রমতে, ২০০৬ সালে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া কর্তৃক প্রণয়নকৃত একটি খসড়া পাঠ্যক্রমকে ঈষৎ পরিমার্জন করে পাঠ্যক্রমের এ প্রস্তাবনা পেশ করা হয়। প্রস্তাবিত পাঠ্যক্রমে কওমি মাদরাসা পড়ুয়া পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য ১৬ বছরের শিক্ষা কারিকুলামের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রস্তাবনায় কওমি মাদরাসা পড়ুয়া নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বোর্ড পরীক্ষার জামাতগুলোর পরিমার্জিত পাঠ্যতালিকার বিবরণ থাকলেও, শিক্ষাবর্ষের নির্দিষ্ট মেয়াদকাল উল্লেখ হয়নি। এছাড়া পুরুষ মাদরাসার তুলনায় মহিলা মাদরাসার পাঠ্যক্রমেও রয়েছে ব্যাপক ভিন্নতা।
খসড়া প্রস্তাবনায় ইবতিদাইয়্যাহ মারহালার সর্বোচ্চ ক্লাস ৫ম শ্রেণীতে ছাত্রদের জন্য ‘উর্দু কি তেসরি কিতাব’-এর সঙ্গে যোগ করা হয়েছে ‘আসান কাওয়ায়েদে উর্দু’। এছাড়া ছাত্রদের জন্য ইংরেজি ও ফারসি উভয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু ছাত্রীদের ক্ষেত্রে এ বাধ্যবাধকতার উল্লেখ নেই খসড়ায়।
মুতাওয়াসসিতাহ ৩য় বর্ষে (নাহবেমির জামাত) নাহবেমির কিতাবের সঙ্গে খোলাসা, তাতিম্মা, জুমাল যোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাকে বাধ্যতামূলক করে ফারসি ও ইংরেজিকে ঐচ্ছিক করা হয়েছে। কিন্তু ছাত্রীদের জন্য ফারসির পরিবর্তে ইংরেজি ও উর্দুকে ঐচ্ছিক করা হয়েছে।
নতুন খসড়া প্রস্তাবে সানাবিয়্যাহ আম্মাহ ২য় বর্ষে (কাফিয়া জামাত)-কে শরহে জামি থেকে পৃথক করে একে দশম শ্রেণির মর্যাদায় আনা হয়েছে। এ জামাতে ছাত্রদের জন্য বোর্ড পরীক্ষা প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হলেও ছাত্রীদের জন্য সেই বাধ্যবধকতা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সানাবিয়্যাহ খাসসাহ দ্বিতীয় বর্ষে (শরহে বেকায়া জামাত) হাদিস বিষয়ক কিতাব ‘আসারুস সুনান’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ছাত্রদের জন্য এ কিতাবের পূর্ণপাঠের পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক ৫০ হাদিস মুখস্থ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
কিন্তু ছাত্রীদের জà