শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দ্রুত অপরাধীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারায় ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ মঙ্গলবার ধর্ষণ-সংক্রান্ত মামলায় দুই আসামির জামিন আবেদন খারিজ করে আদালতের লিখিত আদেশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুহা. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের বিচারকদের স্বাক্ষরের পর প্রকাশ ওই লিখিত আদেশে এ পর্যবেক্ষণ দেখা গেছে।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ধর্ষণ বিশেষত শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার মতো ঘৃণ্য অপরাধ বেড়েই চলেছে। এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীর দ্রুততম সময়ে বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারার দায় মূলত রাষ্ট্রের ওপরই বর্তায়। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগও জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়।

আদালত লিখিত আদেশে আরও বলেছেন, আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, ধর্ষণ-সংক্রান্ত মামলার আসামিরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেপরোয়া ও ধূর্ত প্রকৃতির। এরা ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের ওপর চাপ-প্রভাব বিস্তার করে আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে ভয়-ভীতি, প্রলোভনসহ বিভিন্ন ধরনের কূটকৌশল অবলম্বন করে।

ক্ষেত্র বিশেষে সালিশের নামে সামাজিক বিচার করে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারে বাধ্য এবং আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে বিরত থাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে থাকে। এ অবস্থায় সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের বিকল্প নেই। আমরা প্রত্যাশা করছি সরকার দ্রুততম সময়ে এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন করবে।

আদালত বলেন, দেশের বিভিন্ন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যাসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাসমূহ বিচারের জন্য অপেক্ষমান। এর মধ্যে ৪-৫ বছরের পুরাতন মামলার সংখ্যাও কম নয়।

অভিযোগ গঠনে বিলম্ব এবং যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া ধার্য তারিখে রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কয়েক মাস পরপর তারিখ পড়ছে। যদিও এই (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন- ২০০০) আইনের ২০(৩) ধারায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, মামলা বিচারের জন্য নথি প্রাপ্তির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে বিচার কাজ শেষের পর।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ