শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

সেই ‘ডিসি’র আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের তদন্ত হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের বিষয়ে বিভিন্ন বিভাগ থেকে তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল গাফ্ফার খান।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে মন্তব্য করেন এই অতিরিক্ত সচিব।

তিনি বলেন, এক নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের বিষয়ে অবগত আছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিভাগের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। অফিস খুললে বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করবে মাঠ প্রশাসনের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এর আগে, জামালপুরের ডিসির একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে ওই আইডিতে আর সেই ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু এর মধ্যেই ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ভাইরাল আকারে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে।

৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৩ আগস্ট জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরকে তার কার্যালয়ের এক নারীকর্মীর সঙ্গে অফিস কক্ষের পাশের রুমে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়।

তবে, সাংবাদিকদের কাছে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর ঘটনাটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান।

যদিও তিনি স্বীকার করেন, ভিডিওটিতে দেখানো কক্ষটি তার অফিসের বিশ্রাম নেওয়ার কক্ষ এবং ভিডিও’র ওই নারী তার কার্যালয়ের ‘অফিস সহায়ক’ হিসেবে কর্মরত। ঘটনাটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার কথা বলার পরই বিশ্রাম কক্ষে যা ঘটেছে সেটাকে সাজানো বলে দাবি করেন তিনি।

আরএম/