মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকে পাওয়া গেল চাঁদপুরে, নেপথ্যে যে কারণ আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ায় দুই দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী মাহফিল শুরু ১৩ নভেম্বর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি

পৃথিবীর ২০ কোটি শিশু অপুষ্টির শিকার: ইউনিসেফ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পৃথিবীতে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি পায় না। খাবার হিসেবে তারা যা গ্রহণ করে তার মধ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে না। ইউনিসেফের নতুন একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে জানা যায়, পাঁচ বছরের নিচে বিশ্বের ২০ কোটি শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এর ফলে ভবিষ্যতে মানবজাতি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ, প্রায় ৭০ কোটি শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। এদের মধ্যে রয়েছে শীর্ণকায় ও স্থূলকায় দু'ধরনের শিশুই। ১৯৯৯ সালের পর এই প্রথমবারের ইউনিসেফ শিশুদের পুষ্টি ও খাবারের মান নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বলা হয়েছে, সাধারণত দরিদ্র ও ধনী দেশগুলোর শিশুরা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগলেও বর্তমানে তা মধ্য আয়ের দেশের শিশুদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে। অর্ধেক শিশু হিডেন হাঙ্গার বা সুপ্ত ক্ষুধায় ভুগছে।

এর মানে হলো, তারা তাদের খাদ্যে শরীরের জন্য জরুরি ভিটামিন, খনিজ এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

৫ কোটি শিশু তাদের খাদ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না পাওয়ার কারণে দিন দিন শুকিয়ে গিয়ে হাড়জিরজিরে হয়ে পড়ছে।

চার বছরের নিচে প্রায় ১৫ কোটি শিশু তাদের বয়স অনুযায়ী শারীরিক বৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত রয়েছে। পুষ্টিজনিত কারণে তাদের শারীরিক বৃদ্ধি ঠিকমতো হচ্ছে না। এর ফলে তাদের মস্তিস্ক ও শরীর দুটোই প্রয়োজনীয় বিকাশের সুযোগ পাচ্ছে না।

ইউনিসেফের প্রতিবেদনে বলা হয়, ছয় মাস থেকে দুই বছর বয়সের শতকরা ৪০ ভাগ শিশু কোনো ফল বা শাকসবজি খাওয়ানো হয় না। ৬০ ভাগ শিশু ডিম, দুধ ও মাংস খেতে পায় না।

ঠিকমতো শারীরিক বৃদ্ধি না ঘটা শিশুদের বেশিরভাগেরই বাস আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায়। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হলো পাপুয়া নিউগিনি, ইরিত্রিয়ায়। এই দুটি দেশে ৬০ ভাগ শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ঠিকমতো হয় না। সূত্র: বিবিসি

-এটি