মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকে পাওয়া গেল চাঁদপুরে, নেপথ্যে যে কারণ আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ায় দুই দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী মাহফিল শুরু ১৩ নভেম্বর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি

ডুবে যাওয়া কাবায় সাঁতার কেটে তওয়াফ করেছিলেন তিনি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আল্লাহর ঘর কাবা শরিফ সর্বক্ষণই তাওয়াফ করে মানুষ কিংবা ফেরেশতা। বৃষ্টির কারণে ঢুবে যাওয়া কাবা শরিফের সাঁতার কেটে তাওয়াফ করেছিলেন আল আওয়াদি।

জানা যায়, ১৯৪১ সালে একাধারে ৭দিন বৃষ্টি হয়েছিল, তখন পবিত্র কাবা শরিফ ৬ফুট পানিতে ডুবে গিয়েছিল। সাঁতার কেটে তওয়াফ করেছে ১২ বছর বয়েসি বাহরাইনের শেখ আলআওয়াদি।

মক্কায় দ্বীনি স্কুলের ছাত্র ছিলেন সেসময় তিনি। সে সময়ের ১২ বছর বয়েসি কিশোর ২০১৫ এর মে মাসের ১৬ তারিখ ৮৬ বছর বয়সে শেখ আল আওয়াদি বাহরাইনে ইন্তেকাল করেন।

তার ছেলে আব্দুল মজিদ ২০ বছর আগে হজ্জ করতে গিয়ে তার বাবার ছবির পোস্টার কপি কিনে এনেছিলো মক্কা থেকে পিতার জন্যে উপহার হিসেবে।

ইন্তেকালের আগে ২০১৩ সালে কুয়েত আল রাই টেলিভিশনে তিনি তার স্মৃতিচারণে বলেন, বন্যার পানিতে মানুষ, যানবাহন, আর গবাদি পশু ভেসে যেতে দেখেছি।

৭ দিন পর বৃষ্টি থামলে আমর ভাই হানিফ, বন্ধুবর তিমবাক্তুর মালিয়ান শহরের মোহাম্মদ আল তাইয়িব, আলী থাবিত, ইয়ামেনের এডেনের হাসিম আল বার, আর আমাদের শিক্ষক তিউনিসের আব্দুল রউফ মিলে কাবা শরীফের বন্যার অবস্থা দেখতে যাই।

তিনি আরো বলেন, ‘বাচ্চারা পানি দেখলে যা করে আমরাও তাই করলাম, মাথায় আসলো সাঁতরে তওয়াফ করবো। যেই ভাবা সেই কাজ, আমরা চারজন পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়লাম।

পুলিশ হই হই করে উঠলো, আমরা কালো পাথর চুরি করার নিয়তে পানিতে নেমেছি কি-না। আমি সাঁতরাতে সাঁতরাতে পুলিশকে বোঝাতে চেষ্টা করলাম, আমি শুধু সাঁতরে তওয়াফ করব ৭ বার।

পুলিশ তার স্বভাবসুলভ খবরদারি করেই চলছিলো। ইতোমধ্যেই আলী থাবিত আর মোহাম্মদ আল তাইয়িব ক্লান্ত হয়ে পড়লে কাবা শরীফের দরজার ওপর বসে থাকে উদ্ধার হবার আশায়।

শেখ আলআওয়াদি আরো বলেন, ‘আমার ভয় হচ্ছিলো, পুলিশ আমাকে গুলি করে না বসে! আবার আনন্দ হচ্ছিলো এই ভেবে, পৃথিবীতে কেউ কোনদিন এই ভাবে কাবা প্রদক্ষিণ করেনি, আমিই প্রথম।

তাই ভয় আর আনন্দের মিশ্র অনুভূতি নিয়ে আমি কাবার চারপাশে সাঁতরেই চললাম। পরবর্তীতে জানতে পেরেছিলাম, পুলিশের রাইফেলে আসলে গুলি ছিলো না।”

শেখ জানান তিনি তৎকালীন মক্কার বুড়ো মানুষদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তারা এরকম বানের পানি আগে দেখেছেন কি-না। তারা কস্মিনকালেও এত পানি দেখেননি বলে খবর দিয়েছেন। সূত্র: ইন্টারনেট

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ