রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু জম্মু-কাশ্মীরে মুসলিম ছাত্রীকে ক্যাম্পাসে বোরকা পরতে বাধা

'সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন আটকে রাখা যাবে না'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বাস্তবায়ন আটকে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেছেন, মানুষকে জিম্মি করে, সরকারকে বিব্রত করে যদি কেউ এই আইনের বাস্তবায়ন ঠেকানোর চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস কাঞ্চন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন আইনের সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। সরকার বিভিন্ন সময় ১৯৮৩ সালের আইনটি সময়োপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে বারবারই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবহন সেক্টরের একটি অশুভ শক্তি। সম্প্রতি কয়েকটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ পাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। কোনো চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে সরকার এই আইনটি ২০১৮ সালে পাস করে। এর প্রায় ১৫ মাস পরে ১ নভেম্বর থেকে আইনটি কার্যকর শুরু করে সরকার।

তিনি আরও বলেন, প্রথম ১৪ দিন সহনীয় মাত্রায় প্রয়োগ ছিল। পরবর্তীতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাবিতে আইনের কয়েকটি বিষয় আগামী ছয় মাস পর্যন্ত কনসিডারের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। বরাবরই পরিবহন সেক্টরে সেই চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে নানা ধরনের দাবি-দাওয়া তুলে ধরে। গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে দেয়। আমার প্রশ্ন, কেন এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো?

পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, যারা পরিবহন শ্রমিকদের ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে, কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে তারা কতটা শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় করে? আপনাদের সুরক্ষার জন্য মালিক কি কোনো টাকা ব্যয় করেন? আপনাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কি কোনো ইনস্টিটিউশন করেছে, হাসপাতাল গড়েছে চিকিৎসার জন্য? হিসাবে সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে এক হাজার চালক হেলপার মারা যায়। এই যে আপনারা মারা যান, আপনাদের জন্য মালিকরা কী করে? বিষয়গুলো একবার ভেবে দেখবেন।

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা শুরু থেকেই এই আইনের প্রতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন দিয়ে গেছেন। আজ পরিবহন সেক্টরের কিছু মানুষের নৈরাজ্যের কারণে আপনাদের ভোগান্তি হচ্ছে। তবে আমি মনে করি এই ভোগান্তি সাময়িক। দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য আপনাদের এরকম সাময়িক ভোগান্তি পোহাতে হতে পারে। আপনারা ধৈর্য হারাবেন না।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ