সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি তুর্কি, কুর্দি ও আরবদের এক কাতারে ঐক্যের আহ্বান এরদোয়ানের ‘জামায়াত আমাদের ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল’ মসজিদে হারামে কেরাত বিষয়ক প্রথম প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি

উইঘুর মুসলিম নারীর মুখে নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা (২য় পর্ব)

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গুলবাহার জলিল একজন উইঘুর মুসলিম নারী। প্রায় দুই বছর সাম্রাজ্যবাদী চীনের কারাগারে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মুক্তি পাওয়ার পর এ নিয়ে তিনবার মুখোমুখি হলেন আল জাজিরা আরবির। পৃথক পৃথক এসব ভিডিও সাক্ষাৎকারে বর্ণনা করেছেন সেখানে মুসলিম বন্দী নারীদের সঙ্গে কি আচরণ করছে চাইনিজ সেনাবাহিনী। প্রথম দুইপর্ব সাক্ষাৎকারের বাংলা অনুবাদ আওয়ার ইসলামে একত্রে প্রকাশিত হওয়ার পর আজ প্রকাশিত হল তৃতীয় পর্ব। ভিডিওর চুম্বকাংশ আরবি থেকে ভাষান্তর করেছেন আওয়ার ইসলামের কন্ট্রিবিউটর বেলায়েত হুসাইন।


সাম্রাজ্যবাদী চীনের সেনাবাহিনীরা সপ্তাহে একাধিকবার আমাদের সেল পরিবর্তন করে দিতো, যাতে যুবতীরা একে অপরের সঙ্গে ভাল করে পরিচিত হতে না পারে। একটা সেলে আমরা সর্বোচ্চ দুই তিন-দিন অতিবাহিত করার সুযোগ পেতাম। অজু-গোসলের কোন ফুরসত আমাদের দেয়া হতো না। শরীর ফুলে যেত ও ভয়ংকর নীলাভ বর্ণ ধারণ করতো। ময়লাযুক্ত মাথায় উকুন আমাদের মস্তিষ্ক কুঁড়ে কুঁড়ে খেতো।

আমি এমন কয়েকজন হতভাগা মেয়েকে দেখেছি, যাদের প্রতি হাতে দশটি করে বিষাক্ত পয়জনযুক্ত ওষুধ মেশানো ইনজেকশন পুশ করে ওদের অজ্ঞান করে রাখতো। মেয়েগুলো অজ্ঞান হয়ে পড়লে পাষণ্ড চৈনিক সেনারা ধর্ষণলীলার উৎসবে মেতে উঠতো।

কয়েকটি সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, ধর্ষণে বাঁধা দেয়ায় তাদের সবগুলো আঙুল উপড়ে ফেলা হয়েছে। শত আহাজারি করেও মানুষরূপী ওই হায়েনাদের থেকে তারা রক্ষা পায়নি। এমন আরও অসংখ্য অবর্ণনীয় ঘটনার সাক্ষী আমি। যেসব যন্ত্রণা ও কষ্ট দেখে শুধু অশ্রুই ঝরিয়েছি; তাদের জন্য করতে পারিনি কিছুই।

কারাগারের প্রকোষ্ঠে ৬২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। মিসর যাওয়ার কারণে তাকে বন্দী করা হয়েছে। তুরস্কে যাওয়ার কারণে বন্দী করা হয়েছে এরকম বয়সী আরেক নারীকে। এক নারীর মোবাইলে মুহাম্মাদ সালাহর ফোন নাম্বার পাওয়ায় তাকেও অন্ধকার এই কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এক যুবতীকে দেখিছি, জুলুম অত্যাচার সইতে না পেরে পাগল হয়ে অসহ্য কষ্টকর জীবন অতিবাহিত করছে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ