সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি তুর্কি, কুর্দি ও আরবদের এক কাতারে ঐক্যের আহ্বান এরদোয়ানের ‘জামায়াত আমাদের ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল’ মসজিদে হারামে কেরাত বিষয়ক প্রথম প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি

লিবিয়ায় তুরস্ক ও রাশিয়ার শান্তি প্রস্তাব মেনে নিলো হাফতার বাহিনী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ায় রাশিয়া ও তুরস্কের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব মেনে নিয়েছে দেশটির বিদ্রোহী সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের অনুগত বাহিনী। এক ভিডিও বার্তা হাফতার নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির মুখপাত্র আহমেদ আল-মিসমারি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

রাজধানী লিবিয়ার দখল নিতে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে গত বছরের এপ্রিল থেকে অভিযান শুরু করেছে হাফতারের বাহিনী। জাতিসংঘের হিসেবে এই অভিযানে অন্তত এক হাজার মানুষ নিহত ও অপর অন্তত ৫ হাজার আহত হয়েছে।

গত বুধবার ইস্তানবুলে বৈঠকের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন লিবিয়ার দুই পক্ষকেই যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। ত্রিপোলির জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার এই আহ্বানকে স্বাগত জানায়।

আল-মিসমারি বলেন, তারা শান্তি প্রস্তাবে রাজি আছে। তবে তা লঙ্ঘন হলে কঠোর পদক্ষেপ নেবে তারা। এর আগে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে তুরস্ক ও রাশিয়ার যুদ্ধবিরতির আহ্বানের জবাব দেয় হাফতার বাহিনী। আল মাসমারি বলেন, ‘আমরা (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির) পুতিনের যুদ্ধবিরতির আহ্বানকে স্বাগত জানাই। তবে ত্রিপোলি দখল করে রাখা সন্ত্রাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ... শেষ পর্যন্ত চলবে’।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের সহিংসতা আর বিভক্তিতে জর্জরিত হয়ে আছে লিবিয়া। গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে দেশটিতে সক্রিয় রয়েছে দুটি সরকার। এর মধ্যে রাজধানী ত্রিপোলি থেকে পরিচালিত সরকারকে সমর্থন দিয়েছে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশ। আর দেশটির পূর্বাঞ্চল থেকে পরিচালিত জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন অপর সরকারটিকে সমর্থন দিচ্ছে মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, সৌদি আরব,ও ফ্রান্স।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ