সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি তুর্কি, কুর্দি ও আরবদের এক কাতারে ঐক্যের আহ্বান এরদোয়ানের ‘জামায়াত আমাদের ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল’ মসজিদে হারামে কেরাত বিষয়ক প্রথম প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি

বাবরি মসজিদকে রামমন্দির বানানোর পর আরএসএসের টার্গেট দুই সন্তান নীতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাবরি মসজিদকে রামমন্দির তৈরি এখন সময়ের ব্যাপার, কাশ্মিরে ৩৭০ ধারা বিলোপ হয়ে গেছে, তিন তালাকও আইনত নিষিদ্ধ, এই অবস্থায় ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের কর্মসূচির এক নম্বরে রয়েছে দুই সন্তানের নীতি চালু করা৷

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) নেতা মোহন ভগবত দেশটির উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে স্বয়ংসেবকদের বলেছেন, আরএসএস চায় আইন করে দুই সন্তানের নীতি চালু হোক৷ তবে আইন সরকার করবে৷ আরএসএস কেবল তাদের মনোভাবের কথা জানালো৷

ভগবত জানিয়েছেন, রামমন্দির নিয়ে সরকারি ট্রাস্ট হয়ে গেলেই তারা মন্দিরের বিষয় থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবেন৷ এবার তাদের কর্মসূচিতে আছে, দুই সন্তানের নীতি চালু করা৷ ২০১৫ সালেও বিজয়া দশমীর ভাষণে তিনি জনসংখ্যা নীতি চালু করতে বলেছিলেন৷

কিন্তু এর আগে সংঘ পরিবারের প্রধান তিনটি কর্মসূচি ছিল- রামমন্দির, ৩৭০ ধারা বিলোপ এবং অভিন্ন দেওয়ানী বিধি। প্রথম দুটো হয়েছে৷ কিন্তু অভিন্ন দেওয়ানী বিধি হয়নি৷ তা হলে কি আরএসএস এই বিষয়টি ছেড়ে দিলো?

আরএসএসের মিডিয়া সেল বিশ্ব সংবাদ কেন্দ্রর দায়িত্বে থাকা অরুণ আনন্দ ডয়েচে ভেলেকে বলেন, আমরা অভিন্ন দেওয়ানী বিধির দাবি থেকে সরে আসছি না৷ তবে তিন তালাক বন্ধ হয়ে গেছে৷ তাই অভিন্ন দেওয়ানী বিধি পরে করলেও হবে৷ কিন্তু তাদের বরাবরের মত হলো- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি৷

উল্লেখ্য, ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি ও আরএসএস মনে করে, দেশটিতে প্রধানত মুসলিমরাই জন্মনিয়ন্ত্রণ করে না৷ তারা বহু সন্তানের নীতিতে বিশ্বাস করে৷

তবে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্য এম কিউ আর ইলিয়াস বলেন, দেশের সমস্যা থেকে নজর অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য এই সব বিষয় আনা হচ্ছে৷ কার কটা বাচ্চা হবে, সেটা তো সেই ব্যক্তির ওপর নির্ভর করছে৷ এ নিয়ে আইন তো অসাংবিধানিক হবে৷

অল ইন্ডিয়া মুসলিম মজলিশ মুশাওরতের সভাপতি নাবেদ হামিদের মত হলো, বিজেপি ও সংঘ পরিবার সমানে ঘৃণার রাজনীতি করছে৷ কারণ পর পর দুটি জনগণনায় দেখা যাচ্ছে, মুসলিমদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমছে৷

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ