রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

করোনা: মুফতি তাকি উসমানীসহ পাকিস্তানের আলেমদের সংবাদ সম্মেলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ বিন ওয়াহিদ ।।

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে গোটা পৃথিবী আজ থমকে গেছে। স্থবিরতা চলে এসেছে মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরায়। উদ্ভূত বৈশ্বিক এই মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন প্রাণ হারাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। করোনার সংক্রমণ রোধকল্পে দেশবিদেশের বিভিন্ন শহর এবং গ্রামকে করা হয়েছে লকডাউনের আওতাভুক্ত। যার থেকে বাদ পড়েনি মসজিদ মাদরাসাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্বের সর্বত্রই বিরাজ করছে কঠিন ও সংকটময় পরিস্থিতি। এই মুহূর্তে সবার করণীয় কী হবে এ সম্পর্কে কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ আলেম মুফতি তাকি উসমানী।

আজ ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের করাচী শহরস্থ জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, আমরা সবাই একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছি। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে আমাদের গোনাহের কারণেই।

তাই সর্বপ্রথম আমাদের করণীয় হল,
১. খালেসদিলে আল্লাহ তায়ালার কাছে নিজের কৃত গোনাহের জন্য অনুতপ্ত হওয়া এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা।

২. দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের জীবনবাজি রেখে যারা আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা নিশ্চিত করা।

৩. যারা মুসলমান আছেন, তারা ডাক্তার ও প্রশাসন থেকে যে উপায়-উপকরণ বা সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়, তা গ্রহণ করবেন এবং এটিকে তাওয়াককুলের পরিপন্থী মনে করবেন না ।

শায়খুল ইসলাম আল্লামা তাকি উসমানী বলেন, মসজিদের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় ভালোভাবে লক্ষ রাখতে হবে, যারা যেকোনো ধরনের অসুস্থতার মধ্যে আছেন, বা যাদের শরীরে রোগ সহনীয় ক্ষমতা কম, তারা নিজেদেরকে মাজুর মনে করে ঘরেই নামাজ পড়বেন। মসজিদে যাবেন না।

আর যেই মুসল্লীরা মসজিদে যাবেন, তারা সুন্নত এবং নফল নামাজ নিজের ঘরে পড়বেন। শুধুমাত্র ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে মসজিদে গিয়ে আদায় করবেন। দুই কাতারের মাঝখানে এক কাতার ফাঁকা রাখবেন এবং নিজেরা যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে নামাজে দাঁড়াবেন।

মসজিদের দায়িত্বশীলদের প্রতি লক্ষ করে তিনি বলেন, আপনারা মসজিদে হ্যান্ড সেনিটাইজার বা সাবান রাখবেন। সমস্ত মুসল্লীরা মসজিদে প্রবেশের পূর্বে তা ব্যবহার করবে। মসজিদে কার্পেট বিছানো থাকলে তা তোলে ফেলবেন এবং ফ্লোর ঘনঘন পরিষ্কার করবেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্