বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্র-রাজনীতিতে উলামাদের উপেক্ষা করার পরিণতি ভালো হয় না: পীর সাহেব চরমোনাই দারুল আজহার মাদরাসায় ১২ শিক্ষার্থীর কোরআনের সবক প্রদান জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা ‘তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় জনগণের নাভিশ্বাস’ ঝালকাঠিতে খতমে নবুয়ত সম্মেলন সফল করতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শীলন বাংলাদেশ-এর ১২৩-তম সাহিত্য সভা শুক্রবার ‘ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ’ ‘১২ অক্টোবরের মধ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক ডেঙ্গু সংক্রমণের হার জানা যাবে’ কাম্য কুরআনি বিধি ঢাবিতে নিকাব নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, শিক্ষিকা তাসনিম সিরাজকে বহিষ্কারের দাবি ছাত্র জমিয়তের

আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কিট আটকে আছে: জাফরুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা পরীক্ষার কিট এখনো অনুমোদন পায়নি জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, এগুলো এখনো বিএসএমএমইউতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে। তবে শিগগিরই অনুমোদন পাবে বলে আশা করছি।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনা নির্ণায়ক জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট র‍্যাপিড টেস্টিং কিট এখনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বিএসএমএমইউতে আটকে আছে।

শঙ্কা প্রকাশ করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে গবেষক বিজন কুমার শীল উদ্ভাবিত এই কিটের কৃতিত্ব অন্য দেশ নিয়ে নিতে পারে। তখন আর এই কিটের সেবা বাংলাদেশ পাবে না।

বর্তমানে দেশে একদিনে ৪৫টি সেন্টারে ৮ হাজার করােনা টেস্ট করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের অনুমোদন দিলে এক দিনে ৫০ হাজার টেস্ট করা যাবে। এতে খরচ কম ও প্রক্রিয়াটি আরও সহজ হবে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, পিসিআর যেটা করতে পারে, তাদের কিট সেটা করতে পারে কি না, সেটা যাচাই করে দেখা উচিত। যদি তাদের কিটের সঙ্গে পিসিআর পদ্ধতির ম্যাচিং হয়, তাহলে তা দ্রুত জানিয়ে দিলে ভালো হবে। আশা করছি দ্রুতই এই কিট বিএসএমএমইউর ট্রায়ালে পাস করবে।

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, এই কিটের উৎপাদন আরো ব্যাপক আকারে করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের ৫০ কোটি টাকা দিন। পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিকতা জটিলতা বাদে কোনো একটি ব্যাংককে টাকাগুলো দেয়ার জন্য বলে দিন। এমনটা হলে প্রতি মাসে ১ কোটি কিট তৈরি করা সম্ভব।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ