সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

প্রথম আরব দেশ হিসেবে মঙ্গলগ্রহে মহাকাশযান পাঠাচ্ছে আমিরাত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জ্বালানি তেলের ব্যবসা আর যথেষ্ট নয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য। তাদের দৃষ্টি এখন মহাকাশে। পাঁচ বছরের মতো সময় নিয়ে একটি মহাকাশ তৈরি করেছে দেশটি।

যাতে জ্বালানি তেল ভর্তি করা শুরু হবে আগামী সপ্তাহে। মানবহীন এই মহাকাশযানটির নাম দেয়া হয়েছে 'আমাল'। আরবিতে যার অর্থ 'আশা'।

সবকিছু ঠিকঠাক গেলে ৪৯৩ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত মঙ্গলগ্রহে পৌঁছাতে মহাকাশযানটির সময় লাগবে আনুমানিক সাত মাস।

মঙ্গলগ্রহের এক বছর ৬৮৭ দিনে। এই পুরো সময় ধরে মহাকাশযানটি মঙ্গলগ্রহেরে কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করবে। মঙ্গলগ্রহেরে কক্ষপথ একবার ঘুরতে সময় লাগবে ৫৫ ঘণ্টা।

গ্রহের চারিদিকে ঘুরে ঘুরে গোলাপি রঙের এই গ্রহটি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবে আমাল। এই প্রকল্পের পরিচালক সারাহ আল আমিরি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন দেশটির তরুণ বিজ্ঞানীদের জন্য এই মিশন 'স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং' পেশায় যুক্ত হওয়ার দ্বার উন্মুক্ত করবে।

আসছে ১৪ জুলাই জাপানের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত দ্বিপ তানেগাশিমা থেকে মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করার কথা রয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে প্রকল্পের সাথে যুক্ত প্রকৌশলীদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয়েছে তাই এই যাত্রা ইতিমধ্যেই একবার পিছিয়েছে।

জাপানিজ 'রকেট' দ্বারা চালিত মহাকাশযানটিতে তিন ধরনের 'সেন্সর' থাকবে। যার কাজ হবে মঙ্গলগ্রহের জটিল বায়ুমণ্ডল পরিমাপ করা। মহাকাশযানটিতে খুব শক্তিশালী 'রেজুলুশন' সম্বলিত একটি 'মাল্টিব্যান্ড' ক্যামেরা থাকবে।

যা সূক্ষ্ম বস্তুর ছবি তুলতে সক্ষম। গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ ও নিম্নভাগ পরিমাপ করার জন্য থাকবে একটি 'ইনফ্রারেড স্পেকটোমিটার'। যা তৈরি করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি। তৃতীয় আরেকটি সেন্সর গ্রহটির অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের মাত্রা পরিমাপ করবে।

সারাহ আল আমিরি বলেছেন এই মিশনের অন্যতম কাজ হল পানি তৈরিতে দরকার এই দুটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান কেন মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলে থাকতে পারছে না তা বোঝার চেষ্টা করা।

যুক্তরাজ্যের সায়েন্স মিউজিয়াম গ্রুপের পরিচালক স্যার ইয়ান ব্ল্যাচফোর্ড বলেছেন, "এর আগে যত মহাকাশযান মঙ্গলগ্রহে পাঠানো হয়েছে সেগুলো ভূতত্ত্বের দিকে মনোযোগ দিয়ে কাজ করেছে। কিন্তু এবার মঙ্গলগ্রহের জলবায়ু সম্পর্কে একটি সামগ্à