রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু জম্মু-কাশ্মীরে মুসলিম ছাত্রীকে ক্যাম্পাসে বোরকা পরতে বাধা

৬৪ জেলায় প্রধানমন্ত্রী বরাবর ইফার দারুল আরকাম শিক্ষকদের স্মারকলিপি প্রদান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রকল্প জটিলতায় করোনা মহামারিতেও ৬ মাস ধরে বেতন-ভাতা না পেয়ে সারাদেশে- জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা।

আজ সোমবার (৬ জুলাই) শিক্ষকদের কেন্দ্রীয় কমিটি দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতির পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৬ দফা দাবিতে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর একনেক সভায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প (৬ষ্ঠ পর্যায়) অনুমোদনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মর্মে নির্দেশনা প্রদান করেন যে, দেশের যে সকল এলাকায় স্কুল নেই সেখানে এ প্রকল্পের মসজিদভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা কর্যক্রম যেন অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তা-ভাবনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে ২০১৭ সালে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের প্রতি উপজেলায় উক্ত প্রকল্পের (৬ষ্ঠ পর্যায়) অধীন ১ম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘দারুল আরকাম’ নামে ১০১০ টি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করে।

মাদরাসাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করা হয়। ২০১৮ সালে ১০১০ জন ক্বওমী ও ১০১০ জন আলিয়া মাদরাসার সনদদারী আলেম নিয়োগের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। ক্বওমী সনদের স্বীকৃতির পর এইটাই প্রথম ক্বওমী আলেমদের সরকারি নিয়োগ! শুরুতে ইফার নিজস্ব সিলেবাসে ৩য় শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান শুরু হলেও ২০১৯ সালে এসব মাদরাসা ৫ম শ্রেণীতে উন্নিত করা হয়।

গত ৩১ ডিসেম্বর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও ধর্ম-মন্ত্রণালয়ের বিশেষ চাহিদায় প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রাখা হয়। কিন্তু গত ১১ মে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি পাশ হলেও প্রকল্প থেকে দারুল আরকামকে বাদ দেওয়া হয়। এতে ২ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেমন অন্ধকারে তেমনি ২ হাজার আলেম শিক্ষক বেতনহীন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

স্মারকলিপিতে দারুল আরকাম মাদরাসা শিক্ষকদের দুর্দশা ও হতাশার কথা উল্লেখ করে- প্রকল্প জটিলতা নিরসন করে আসন্ন কুরবানি ঈদের আগে বকেয়া বেতনভাতা প্রদান। শিক্ষকদের নিয়মিত জনবল হিসাবে উল্লেখ করে স্কেল ভিত্তিক বেতন-ভাত প্রদান সহ ৬ দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ