আওয়ার ইসলাম: রাজধানীর আমিনবাজারের মধুমতি হাউজিংয়ে অবস্থিত মাদানী নেসাবের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান মা’হাদুল কুরআন মাদরাসা। পড়াশোনাকেই মূল লক্ষ্য বানিয়ে স্থানীয় নান্দনিক একটি বিলাসবহুল ভবনে মাদানী নেসাবের প্রথম থেকে তৃতীয় বর্ষ পর্যন্ত চালু করা হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানে।
দক্ষ শিক্ষক ও পড়াশোনার সহায়ক পরিবেশের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষার্থীদের সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করবে মা’হাদুল কুরআন মাদরাসা।
প্রতিষ্ঠানটি আমলিয়াতের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করবে। তাদের দাবি, দীনি পড়াশোনার প্রকাশ হয় আমলি জিন্দেগীর মাধ্যমে। আমলি জিন্দেগীতে অভ্যস্ত হওয়ার লক্ষে প্রতিষ্ঠানিভাবে থাকবে জিকির-আজকার, তসবি-তাহলীল, দোয়া-মোনাজাত, গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতসহ নফল ইবাদাতের পবিত্র পরিবেশ। সেই সঙ্গে থাকবে ইসলাহী বয়ান ও তারবিয়াতি জলসা।
শিক্ষার্থীদের সামাজিক করে গড়ে তুলতেও তাদের থাকবে স্বতন্ত্র প্রয়াস। প্রতিষ্ঠানের চিন্তা হচ্ছে- জীবন চলার পথে সবার সামাজিকতাবোধ সমান নয়। আয়োজন করে শেখানো হয় না বলে প্রায় মানুষের সামাজিকতাবোধের অভাব থাকে। অথচ একটি সুন্দর জীবন যাপনের জন্য এই গুণটির খুবই প্রয়োজন। এর সঙ্গে আবার ওতপ্রোতোভাবে জড়িয়ে আছে সুন্দর আচার ব্যবহার। ব্যক্তি জীবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকও এটি। সামাজিকতা এমনই এক গুণ, যার কারণে শত্ররাও সম্মান করতে বাধ্য। তাদের চেষ্টা থাকবে, ছেলেরা যেন বেড়ে ওঠে সমাজ-ঘনিষ্ঠ আদর্শ পুরুষ হিসেবে।
রুচিশীলতা ও স্মার্টনেসে থকবে আলাদা গুরুত্ব। মাদরাসা কতৃপক্ষের বিশ্বাস- ব্যক্তিত্বহীন মানুষের দাম নেই সমাজে। সুশিক্ষার পাশাপাশি রুচিশীলতা এবং স্মার্টনেস থাকলে ব্যক্তির মাঝে ঘটে ব্যক্তিত্বের সর্বোচ্চ প্রকাশ।
জীবনের এই সুন্দর দিকগুলো আয়ত্ত করে ছাত্ররা যেন পরিশীলিত জীবন গঠন করতে পারে। সে লক্ষে মা’হাদুল কুরআন মাদরাসার রয়েছে আলাদা প্রয়াস।
তা ছাড়া আবাসনের সুন্দর-অসুন্দর ব্যবস্থাপনার ব্যাপারটাও পড়াশোনার উপর প্রভাব ফেলে। সেইসঙ্গে সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠলে মন-মানসিকতাও উন্নত হয়, সেজন্য আয়োজন করা হয়েছে অতি উন্নত মানের আবাসন ব্যবস্থাপনা।
পড়াশোনার পরে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে যে বিষয়টির ওপর