সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

মসজিদের সামনে নাচের বিষয়ে মুখ খুললেন চিত্রনায়িকা মুনমুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়ায় মসজিদের সামনে নাচের একটি ভিডিও ভাইরাল হয় চিত্রনায়িকা মুনমুনের। সমালোচনার মুখে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

এক সাক্ষাতকালে আজ মঙ্গলবার তিনি বলেন, আমি কি অন্য ধর্মের লোক যে মসজিদের সামনে নাচবো? আমি কখনই কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে সজ্ঞানে আঘাত হবে- এমন কাজ করবো না। আমি যদি জানতাম ওখানে মসজিদের রয়েছে তাহলে নাচতাম না কখনই। তারপরেও যদি আমার এই ঘটনায় কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন তাহলে সকলের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি। সেখানে মসজিদ রয়েছে আমি জানতাম না সত্যি।

এ ঘটনাটি ঘটে টাঙ্গাইলের সখীপুরের পলাশতলিতে একটি মসজিদের নিকট। এ নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়ে। এরপর সমালোচনার ঝড় ওঠে। মুন্মুনের চেয়ে এই নাচের আয়োজকদেরই ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা।

মুনমুন বলেন, আমি ওই অনুষ্ঠান শেষ করে ঢাকায় বাড়ি ফিরেছি। এরপরে আমার কাছে সখীপুর থেকে ফোন আসে। তারাই আমাকে জানায় ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু সত্য কথা হলো ওখানে কোনো মসজিদ ছিল না। মসজিদের যে সাইনবোর্ড টানানো ছিল, সেটা আসলে একটা মসজিদ নদী ভাঙনে বিলীণ হয়ে যায়। সেই মসজিদের সাইনবোর্ড এনে রাখা হয়েছে। দেখবেন সাইনবোর্ডটা একেবারে নতুন। আর মসজিদের কার্যক্রম ছিল না। স্থানীয়রাই এসব বলেছে। আর আমি এসব কথা জেনেছি, ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হবার পর।

মুনমুন বলেন, তারপরেও যদি আমার ভুল হয়ে থাকে আমি ক্ষমা প্রার্থী।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় এই নায়িকা ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে বলেন, আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয় একটা নাচের। এক পরিচিত বড় ভাই বলেন, আমরা একটা নৌ ভ্রমণ দিব, তুমি তো কখনো এমন ভ্রমণ করো নাই তোমার ভালো লাগবে। আমিও গেলাম। এরপর নৌ ভ্রমণ শুরু হলে তারা একটা আবেদন জানায় নৌকায় নাচার জন্য।

কিন্তু প্রচণ্ড রোদ। সেই রোদে আমি কোনোভাবেই তাদের অনুরোধ রাখতে পারি না। পরে তারা পলাশতলি নামের ওই জায়গায় বিরতি দেওয়া হয়। জায়গাটায় মানুষ জন থাকে না তেমন, কারণ কয়েকদিন আগেই নাকি ব্যাপক নদী ভাঙন হয়েছে।

নাচার প্রসঙ্গে বলেন, সেখানে বসার ব্যবস্থা করা হয়। স্থানীয় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, মেম্বার ছিলেন। সবাই আমাকে একটা নাচের অনুরোধ করে। পরে আমি একটা অনুরোধ রাখি। এরপর বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও আমি নাচিনি। দেখবেন আমি বসে ছিলাম ওই সাইনবোর্ডের উল্টাদিক হয়ে। ওভাবেই উঠে গিয়েছিলাম, যে কারণে আমি