বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলকে ইরানের হুঁশিয়ারি ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত মাদরাসার বেতন সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অল্প বয়সেই হাফেজ হয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে রুবায়েত ও মৃদুল বিশ্বকাপে বিশেষ সম্মান পেল কালিমাখচিত সৌদির পতাকা বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, বন্ধ থাকবে ৯২টি চা বাগান

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর প্রায় আড়াই মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ফজলুল হক বাবুকে (৪৫) দু’দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

আজ রোববার দুপুরে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বগুড়া শহর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বাবু উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তিনি দেউড়িয়া গ্রামের সামসুল হকের ছেলে। জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রী উপজেলার দেউড়িয়া গ্রামের এক কৃষকের মেয়ে। তিনি গোপালনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী।

ঘটনার দিন সকালে ওই ছাত্রী তার নানার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। পরে স্কুলছাত্রীকে ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুর সহযোগিতায় রাস্তা থেকে অপহরণ করেন একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মাসুদ রানা।

এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা ইউপি সদস্য বাবু ও মাসুদসহ মোট সাতজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ওই ছাত্রীকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা বাজার এলাকা থেকে তার স্বজনরা উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়।

মামলার বাদি জানান, ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবু থানার তদন্ত কর্মকর্তার যোগসাজশে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তাতে রাজি না হওয়ায় ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর পরিবারকে চার মাস ধরে সমাজচ্যুত করে রেখেছেন। অপহরণের পর প্রায় আড়াই মাস ধরে আটকে রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুসহ দু’জন।

ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোনো জায়গায় আটকে রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওই জায়গার নাম ও মামলার প্রধান আসামির অবস্থান জানার জন্য ফজুলল হক বাবুকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ