মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের অধিকার কারো নেই: ইসলামী আন্দোলন সন্ধ্যার মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় বিক্ষোভ মিছিল স্থগিত করল বিকেএম শিগগিরই ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন শুরু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবেই ভারতে প্রবেশ না করে ফিরে এসেছি’  সনদ নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাবে মুখ খুললেন ইফা ডিজি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলেমের পদস্খলন: একটি সূক্ষ্ম অধ্যায় মহাখালী-তেজগাঁও সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবরোধ হিফজুল কুরআনের শিক্ষার্থীদের জন্য রাবেতার নতুন আরবি কর্মসূচি চালু

বন্দিশিবিরে গণধর্ষণের শিকার হচ্ছেন উইঘুর নারীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চীনের জিনজিয়ান অঞ্চলের ‘পুনঃশিক্ষণ’ শিবির নামে সংখ্যালঘু ১০ লাখের বেশি উইঘুর নারী-পুরুষকে বন্দি করে ব্যাপক নির্যাতনের তথ্য উঠে এসেছে বিবিসির এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিরাতেই বন্দিশিবির থেকে বাছাই করে উইঘুর নারীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় সিসিটিভি ক্যামেরা নেই, এমন কোনো কক্ষে। সেখানে দুই থেকে তিন ব্যক্তি পালাক্রমে তাদের ধর্ষণ করে। সেখানকার ব্যবস্থা এতই কঠোর যে, শিবিরের ভেতরে কী ঘটে, তার খবরাখবর তেমন বাইরে আসে না।

প্রসঙ্গত, উইঘুর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একটি সন্ত্রাসী হামলার জেরে ২০১৪ সালে জিনজিয়ান সফর করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং। ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা যায়, এর পরই তিনি স্থানীয় কর্মকর্তাদের উইঘুরদের ব্যাপারে চরম নীতি গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, চীন সরকার ধীরে ধীরে উইঘুরদের ধর্মীয়সহ অন্যান্য স্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে। জিনজিয়ানের শিবিরে উইঘুর নর-নারীকে সবসময় কড়া নজরদারির মধ্যে রাখা হয়।

শিবিরে তাদের ওপর নানা নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো হয়। সেখানে তাদের প্রজনন ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। জোর করে তাদের বিশেষ মতবাদ শেখানো হচ্ছে।

মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, উইঘুরদের সঙ্গে চীনা কর্তৃপক্ষের আচরণ গণহত্যার শামিল। চীন দাবি করছে, উইঘুরদের গণহারে আটক ও জোর করে তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করার অভিযোগ ভিত্তিহীন, মিথ্যা।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ