রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আস-সুন্নাহ দাওয়াহ ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী ভারতের সামাজিক সম্প্রীতি হুমকির মুখে: জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ শ্রেষ্ঠ স্বামী হিসেবে তিনি আমার কাছে অমর হয়ে থাকবেন সিলেটে এক সপ্তাহ ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র আফজালের ‘লক্ষাধিক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত’ ‘৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে জট কাটাতে কাজ চলছে’ অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা করল ইরান ঋণনির্ভর উচ্চবিলাষী বাজেট সংকট আরও বাড়াবে: মুনতাসির আলী প্রযুক্তিনির্ভর ও জনকল্যাণমূলক বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

একসঙ্গে থেকে সম্মতির শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয়: ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: একসঙ্গে থেকে সম্মতির শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয় বলে মন্তব্য  করেছে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট। তারা বলেন, প্রাপ্ত বয়স্ক দুজন নর-নারী একসঙ্গে (লিভ ইন) থাকার সময় উভয়ের সম্মতিতে যে শারীরিক সম্পর্ক হয় সেটি ধর্ষণ নয়। দেশটির প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে, বিচারপতি এ এস বোপান্না এবং বিচারপতি ভি রামাসুব্রামানিয়ামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার (১ মার্চ) এমন মন্তব্য করেন।

আদালত বলেছেন, ‘বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া ভুল। একজন নারীরও কাউকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা ভেঙে ফেলা উচিত নয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, একটি দীর্ঘদিনের লিভ ইন রিলেশনে যে শারীরিক সম্পর্ক হয় তা ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে।’

পাঁচ বছর একসঙ্গে থাকা এক যুগলের সম্পর্ক ভাঙার পর দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে এমন মন্তব্য করলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চ।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়- মামলার বাদী তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তারা দীর্ঘদিন একসঙ্গে ছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গী প্রতারণা করে অন্য এক নারীকে বিয়ে করেছেন। এজন্য তিনি বিচার চেয়ে আদালতের দারস্থ হয়েছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী বিভা দত্ত মাখিজা বলেন, একসঙ্গে থাকার সময়কার পরস্পর সম্মতির শারীরিক সম্পর্ককে পরবর্তীতে ধর্ষণ বলে মামলা করা হয়েছে। এ কারণে তার মক্কেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টিকে ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেন এই আইনজীবী।

মাখিজা আদালতকে বলেন, এটি মামলার বাদীর একটি ‘অভ্যাসগত’ ব্যাপার। তিনি এর আগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তুলেছেন। এ সময় আদালত বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বিবেচনায় ‘অভ্যাসগত’ শব্দটি আইনে নিষিদ্ধ।

তখন মাখিজা বলেছেন যে, তিনি এই বিষয়টির সংবেদনশীলতা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন তবে এই অভিযোগকারীর অভিযোগ যে মিথ্যা তা প্রমাণ করতেই ওই শব্দ ব্যবহার করেছেন। এরপর আদালত আসামিকে আট সপ্তাহের জন্য জামিন দিয়ে এই সময়ের মধ্যে তাকে মামলার বাকি কার্যক্রমের জন্য প্রমাণাদি যোগাড় করতে বলেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ