বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যৌথ অভিযান নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নিয়মিত প্রক্রিয়া’ হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ২২ মসজিদুল হারামের ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধান নিয়োগ হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে নতুন নিয়ম, নির্দিষ্ট মেসেজে গুনতে হবে টাকা সৌদিতে ইসলাম অবমাননার মামলায় শ্রীলঙ্কান তরুণের মৃত্যুদণ্ড ‘প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার’ ভারতে প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভেঙে ফেলা হলো ঐতিহাসিক মসজিদের অংশ বিশেষ ‘ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদ’ গঠন: আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১৫ অক্টোবর ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিধ্বস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১, নিখোঁজ দেড় শতাধিক শিশু!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আগুনে বিধ্বস্ত কক্সবাজার উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আরও ৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে। এদিকে, আগুন নিভে যাওয়ার পর বেরিয়ে আসছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। আগুন কেড়ে নিয়েছে সবকিছু; মাথা গোজার ঠাঁই, খাদ্য ও পানি নিয়ে চরম দুর্ভোগে রোহিঙ্গারা। অগ্নিকাণ্ডের পর শতাধিক শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাজ করছে প্রশাসন।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনের তাণ্ডবের পর নতুন করে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখছেন ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গারা। নিজের বসতঘরের ভিটেমাটিতে নতুন করে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছেন তারা।

ধ্বংস স্তূপ সরিয়ে অবুঝ শিশু নিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন বাবা- মা। বাঁশ ও ত্রিপল দিয়ে নতুন করে মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরির চেষ্টা করছেন অনেকে। তবে এই সহায়তা কেউ পাচ্ছেন আবার কেউ পাচ্ছেন না। রয়েছে খাদ্য ও পানির সংকটও।

ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গারা বলেন, আগুন লাগার পর আসতে আসতে দেখি সব শেষ। ছাদ পুড়ে গেছে। ত্রিপল দিয়ে আছি। আপাতত কোনোভাবে থাকার ব্যবস্থা করেছি। শুধু পানি খেয়ে আছি।

অগ্নিকাণ্ডের পর নিখোঁজ রয়েছে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা শিশু। তাদের সন্ধানে কাজ করছে এনজিও সংস্থা। এ প্রসঙ্গে ব্র্যাকের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা অভি দেবনাথ বলেন, ১৫৫ জনের মতো শিশু হারিয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও ক্যাম্পে দায়িত্বে থাকা এপিবিএন'র কর্মকর্তারা।

কক্সবাজার ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম বলেন, তাদের আপাতত থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে স্থায়ী থাকার ব্যবস্থাও করা হবে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রোহিঙ্গাদের ১০ হাজার পরিবার। একই সঙ্গে পুড়ে গেছে স্থানীয়দের ৬ শতাধিক ঘর ও দোকানপাট।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ