বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


যোগ্য আলেম হতে মেনে চলো ৫ পরামর্শ: মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মুহাম্মাদ হেমায়েত উদ্দীন।।

যোগ্য আলেম হওয়া না হওয়ার বিষয়টা নির্ভর করে তালিবে ইলমদের ক্লাসিক্যাল গ্রন্থাদির (দরসী কিতাবাদি) পাঠ-পদ্ধতির উপর। যোগ্য আলেম হওয়ার জন্য তালিবে ইলমদের দরসি কিতাবাদি যে নিয়ম-পদ্ধতি মেনে পাঠ করা চাই তা হল-

১. যোগ্য আলেম হতে চাইলে অবশ্যই প্রথমে নাহু ও সরফ শাস্ত্রদ্বয় পূর্ণ আয়ত্ব করে নিতে হবে। এই দুই শাস্ত্র কিতাবাদি বোঝার বুনিয়াদ। সেমতে মীযান-মুনশাইব, ইলমুস সারফ ও নাহবেমীর- এই তিনটি কিতাব (বা এগুলোর সমমানের কিতাব) অবশ্যই পূর্ণ আয়ত্ব করে নিতে হবে। যাদের এই কিতাবগুলোতে দুর্বলতা আছে শুরুতেই সে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। উপরের জামাতের কোন ছাত্রের এমন দুর্বলতা থাকলে তার পক্ষে এই কিতাবগুলো ভাল করে বুঝে নেয়া খুব কঠিন নয়। তারা তো একবার এগুলো পড়েছে। এখন একটু মেহনত করে পূর্ণ আয়ত্ব করে নিলেই হয়।

২. দরসি কিতাবাদি যেহেতু ইলমের হাতিয়ার বা উপকরণ, তাই দরসি কিতাবাদি বুঝার ক্ষেত্রে কোনোরূপ অস্পষ্টতা থাকলে চলবে না। কেউ যোগ্য আলেম হতে চাইলে অবশ্যই তাকে এই প্রতীজ্ঞা নিয়ে চলতে হবে যে, সে কোনো সবক (পাঠ) অস্পষ্ট রেখে বা ঝাপসা রেখে সামনে অগ্রসর হবে না। কোন সবক যতক্ষণ পূর্ণ স্পষ্ট না হবে ততক্ষণ তার পেছনে মেহনত চালিয়ে যেতে থাকবে।

ছাত্রদের মনে রাখতে হবে ইলম বা জ্ঞান হচ্ছে ইনশিরাহ- তথা পরিষ্কারভাবে জানার নাম। অতএব যতক্ষণ কোন বিষয় পরিষ্কারভাবে জানা না হল, অস্পষ্টতা রয়ে গেল, ততক্ষণ সেটা ইলম নয়। বরং এরূপ অস্পষ্টতা এক ধরনের জাহালত বা অজ্ঞতা। আর শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক দিকগুলোতে অজ্ঞতা রেখে  বিজ্ঞতা লাভের আশা করা যায় না।

৩. যোগ্য, গভীর জ্ঞানসম্পন্ন আলেম হওয়ার জন্য মুতালা হওয়া চাই ফিকিরের সাথে।

বাক্যে বাক্যে নয়, শব্দে শব্দে নয়, হরফে হরফে ফিকির করে মুতালা করা চাই। ভাসাভাসা মুতালায় ইলমের
গভীরতা আসে না। গভীরতা আসে ফিকিরের সাথে মুতালার মাধ্যমে। আর কেউ গভীর জ্ঞান সম্পন্ন আলেম না হলে তিনি যোগ্য আলেম হতে পারেন না।

 কীভাবে ফিকিরের সাথে মুতালা করতে হয়?

একটি ইবারত পাঠ করে চিন্তা করতে হয় এই ইবারত দ্বারা মুসান্নিফের কী উদ্দশ্য? এই উদ্দেশ্য বোঝাতে গিয়ে অমুক অমুক শব্দও ব্যবহার করা যেত, ক্রিয়ার সঙ্গে অমুক অমুক সিলাও ব্যবহার ক