রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

সাত কোটি টাকা আদায়ে ইভ্যালিকে আইনি নোটিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইভ্যালিকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে পণ্য ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান পেপারফ্লাই। সাত কোটি টাকা পাওনা আদায়ের অংশ হিসেবে সম্প্রতি তারা এ নোটিশ পাঠিয়েছে।

ইভ্যালির নানা পণ্য বিভিন্ন জায়গায় ডেলিভারি দিয়ে আসছিল পেপারফ্লাই। তবে গত সাত মাস ধরে তারা এর জন্য কোনো টাকা পাচ্ছিল না।

নোটিশে বলা হয়, পাওনা টাকা আদায় করার জন্য পেপারফ্লাই নানাভাবে চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া দিচ্ছিল না ইভ্যালি। এ কারণেই পাওনা টাকা ফিরে পেতে তারা ইভ্যালিকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে।

পেপারফ্লাইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা রাহাত আহমেদ বুধবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত আমরা ইভ্যালির পণ্য বিলির কাজ করেছি। আমাদের সঙ্গে তাদের চুক্তি আছে। টাকা চেয়ে চেয়ে না পেয়েই শেষ পর্যন্ত আইনি নোটিশ দেওয়া হলো।’

পেপারফ্লাইয়ের আইনি নোটিশের বিষয়ে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল বুধবার রাতে দেশের একটি সনামধন্য সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের কাছে পেপারফ্লাই সাত কোটি টাকা পায়, এটা ঠিক। এ টাকা আমরা দিয়ে দেব।’ কবে দেওয়া সম্ভব, এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট সময় বলা যাচ্ছে না। আমরা তো ব্যবসা করছি। ফলে বেশি সময় লাগবে না।’

এদিকে পেপারফ্লাই এর মতো অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও ইভ্যালির কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান বলে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এক হিসাবে দেখা যায়, পণ্য সরবরাহকারীরা ইভ্যালির কাছে থেকে প্রায় ২০৬ কোটি টাকা পাবেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হিসাব বিবরণীতে ইভ্যালি জানিয়েছে, গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত মার্চেন্টদের কাছে ২০৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৩ টাকা তাদের দেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে।

ইভ্যালি এসব মার্চেন্টের কাছ থেকে পণ্য কিনে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে। ইভ্যালি জানিয়েছে, যে কোনো ব্যবসায়ে ক্রেডিট সুবিধা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং তা যুগ যুগ ধরে প্রতিটি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান।

ইভ্যালির দাবি, ইভ্যালির সঙ্গে সব সরবরাহকারীর ক্রেডিট–সংক্রান্ত চুক্তি বিদ্যমান আছে। তাই যে অর্থ বর্তমানে দেনা হিসেবে আছে, তা অতি স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য পরিমাণ।

এর আগে ১৩ আগস্ট ইভ্যালিকে চিঠি দিয়ে ১৫ জুলাই পর্যন্ত কোম্পানির সম্পদ ও দায়ের বিবরণ, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনার বিবরণ জানতে চায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

তবে