আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের মহারাষ্ট্রে লাউডস্পিকার বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। কড়া পুলিশি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কিছু এলাকায় মসজিদের সামনে লাউডস্পিকার লাগিয়ে হনুমান চালিসা পাঠ করা হয়েছে।
আজ বুধবার মহারাষ্ট্র নব নির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার খোলা না হলে ‘হনুমান চালিসা’চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এনডিটিভি হিন্দি ওয়েবসাইট সূত্রে প্রকাশ, মুম্বাইয়ের কান্দিভালির চরকোপে, মহারাষ্ট্র নব নির্মাণ সেনা’র (এমএনএস) কর্মীরা ঠিক আযানের সময়ে তাদের ভবনে লাউডস্পিকারে ‘হনুমান চালিসা’পাঠ করেছে।
একইসঙ্গে, এই বিতর্কের মধ্যেই, পুলিশ ‘এমএনএস’প্রধান রাজ ঠাকরেকে সিআরপিসি ১৪৯-এর অধীনে নোটিশ জারি করেছে। কগনিজেবল অপরাধ বন্ধ করতে সিআরপিসি ১৪৯-এর অধীনে নোটিশ জারি করা হয়। এটি হল সেই সব অপরাধ যেখানে পুলিশ কাউকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।
ওই বিষয়ে আজ রাজ ঠাকরে বলেন, সকাল থেকেই মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন পাচ্ছি। মহারাষ্ট্রের বাইরে থেকেও ফোন আসছে। পুলিশের ফোন আসছে। এ পর্যন্ত অনেক জায়গায় পুলিশ আমার কর্মী-নেতাদের নোটিশ দিচ্ছে। ধরপাকড় করছে। কেন শুধু আমাদের ক্ষেত্রেই এমন হচ্ছে? যারা আইন মানছে তাদের কেন শাস্তি হচ্ছে?
রাজ ঠাকরে আরও বলেন, আমি পুনরায় বলতে চাই যে প্রায় ৯০ শতাংশ মসজিদ থেকে সকালে লাউডস্পিকারে আযান হয়নি। আমি সেই আলেমদের কাছে কৃতজ্ঞ। গতকাল আমি বিশ্বাস নাংরে পাটিলের কাছ থেকে ফোন পেয়েছিলাম যে বেশিরভাগ মসজিদের ট্রাস্টিরা একমত হয়েছেন। এরপর ১৩২টি মসজিদে লাউডস্পিকার থেকে আযান দেওয়া হয়েছে। আমার প্রশ্ন তাদের বিরুদ্ধে সরকার কী ব্যবস্থা নেবে?
তিনি আরও বলেন, আমি শুধু এ জন্যই বলছি যে এটা শুধু সকালের আযানের প্রশ্ন নয়। দিনের বেলায়ও যদি লাউডস্পিকারে আযান হয়, তাহলে আমাদের লোকজন সেখানে গিয়ে লাউডস্পিকার থেকে হনুমান চালিসা পাঠ করবে। আমার প্রশ্ন হল পুলিশ ৩৬৫ দিনের জন্য একসাথে কীভাবে অনুমতি দিতে পারে? আমাদের প্রতিদিন অনুমতি নিতে হয়।
আমার প্রশ্ন হল পুলিশের কাছে কী একটাই কাজ, ডেসিবেল পরিমাপ করা? সেজন্য এর একà¦