বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি। হু হু করে বাড়ছে পানি। এতে সিলেট নগরীর বেশির ভাগ এলাকার বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়েছে পানি। চরম দুর্ভোগে রয়েছে বন্যাকবলিত মানুষেরা। বন্যার্তদের মাঝে খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল অব্যাহত আছে। যার ফলে সিলেটের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। দু-একটি স্থানে নদীর পানি কিছুটা কমলেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি খারাপ।

সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বন্যার পানি। যার ফলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে যান চলাচল। পানি বাড়তে থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বুধবার সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫৯ সে. মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আগের দিন মঙ্গলবার পানি বিপৎসীমার ১৪২ সে. মি. ওপর প্রবাহিত হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী- বুধবার (১৯ মে) সারা দিন সিলেটে মাত্র ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হলেও সুরমা, কুশিয়ারা, সারি, লোভা ও ধলাই নদীতে পাহাড়ি ঢলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভয়াবহ বন্যার কারণে পুরো জেলায় নৌকা সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে অনেক মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। বন্যা কবলিত লোকজনকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে, সৃষ্ট বন্যায় সুনামগঞ্জ জেলার দুই শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে। এ কারণে ২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জেলার দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলা প্লাবিত হয়েছে বেশি। এছাড়াও সুনামগঞ্জ সদর, তাহিরপুর, শান্তিগঞ্জ উপজেলাসহ পাঁচটি উপজেলার ২২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা না আসতে পারলেও শিক্ষকতা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন।

সিলেট জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আগামী ২৩ মে পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হবে, যার কারণে বাড়বে পানি, ভয়াবহ হয়ে উঠবে বন্যা পরিস্থিতি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ