আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বৃহত্তর সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে ত্রাণ বিতরণ করেছে ইত্তিহাদুল উলামা সাভার উপজেলা।
সংগঠনের সভাপতি যাদুরচর মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা আলী আকবর কাসেমীর নেতৃত্বে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোচক মুনাযিরে যামান আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আযাদ দ্বীনি এদারা তালিম বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল বাছির সুনামগঞ্জী।
গতকাল (৩১ মে) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত, চিকনাগুল, কানাইঘাট উপজেলার সাতবাঁক, বড়চতুল, সুনামগঞ্জের তাহেরপুর উপজেলার বালিজুরি, বাদাঘাট, দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা, শিমুলবাক, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ সহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে তারা বানভাসি অর্ধ সহস্রাধিক দরিদ্র মানুষ এবং আলেমদের মাঝে নগদ পাঁচ লক্ষাধিক টাকা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মসজিদ মাদরাসার সংস্কার ও পুনর্নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেন।
এ সময় প্রধান অতিথি মাওলানা ওলিপুরী বলেন, ইসলাম মানবীয় গুণাবলীর ক্ষেত্রে পরোপকার ও জনকল্যাণমূলক কাজকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ আখ্যা দিয়ে এর প্রতি উৎসাহ দিয়েছে।
মহাগ্রন্থ আল কোরআনের সূরা কসাস-এর ৭৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, তোমরা মানুষের প্রতি তেমন অনুগ্রহ কর (সাদক্বাহ বা যে কোন উপায়ে) যেমন আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন।
সুতরাং সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় বনী আদমের পাশে দাঁড়ানো দরকার। নগদ অর্থ, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ সহ যার যা কিছু আছে, তা নিয়েই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসা ঈমানী দায়িত্ব ও নববী আদর্শ। মানবসেবার এ মহৎ কাজে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সাহায্য পাওয়া করুনা নয়, এটি তাদের নাগরিক অধিকার। এ অধিকার পূরণে রাষ্ট্রীয় ত্রাণ তৎপরতা আরও জোরদার করা উচিত।
মাওলানা আব্দুল বাছির সুনামগঞ্জী বলেন, খেদমাতে খালক বা সৃষ্টির সেবা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান ও ইবাদত। এ ব্যাপারে ত্রুটি হলে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাà