মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের অধিকার কারো নেই: ইসলামী আন্দোলন সন্ধ্যার মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় বিক্ষোভ মিছিল স্থগিত করল বিকেএম শিগগিরই ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন শুরু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবেই ভারতে প্রবেশ না করে ফিরে এসেছি’  সনদ নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাবে মুখ খুললেন ইফা ডিজি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলেমের পদস্খলন: একটি সূক্ষ্ম অধ্যায় মহাখালী-তেজগাঁও সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবরোধ হিফজুল কুরআনের শিক্ষার্থীদের জন্য রাবেতার নতুন আরবি কর্মসূচি চালু

১৯৯৫ সালের পর চেরাপুঞ্জিতে রেকর্ড বৃষ্টি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জিতে ১৯৯৫ সালের পর এবারই রেকর্ড পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়েছে।

চেরাপুঞ্জিতে শুক্রবার (১৭ জুন) সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।

আইএমডির তথ্য বলছে, বিশ্বের অন্যতম আর্দ্র স্থান, চেরাপুঞ্জিতে ৯ বারের মধ্যে জুনে দৈনিক ৮০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।

গোয়াহাটির আবহাওয়াবিষয়ক আঞ্চলিক কর্মকর্তা সুমিত দাশ বলেছেন, চলতি মাসে শুক্রবার পর্যন্ত চেরাপুঞ্জিতে চার হাজার ৮১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব খাসি পাহাড়ে অবস্থিত শহরটিতে রেকর্ড পরিমাণে ৮১১ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

১৯৯৫ সালের ১৬ জুন, ১ হাজার ৫৬৩ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় শহরটিতে। এর একদিন আগে ১৫ জুন ৯৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় সেখানে। সুমিত দাস বলেন, ‘বছরে দুই একবার দিনে ৫০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার বৃষ্টি হওয়া চেরাপুঞ্জির কাছে অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু এ ভাবে পর পর ৮০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টি, সত্যিই অস্বাভাবিক।’

সামগ্রিকভাবে ভারতের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলে ২২০ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা ১ জুন থেকে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি।

মেঘালয়ে ১ জুন থেকে ৮৬৫ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১৫৩ শতাংশ বেশি। অরুণাচল প্রদেশে ২৫৩ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, স্বাভাবিকের চেয়ে ২২ শতাংশ বেশি, যেখানে আসামে ৩৭২ দশমিক ৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা ৭৯ শতাংশ বেশি।

আগামী দুই একদিন এমন আবহাওয়া পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর।

তবে, এই অঞ্চলের সব রাজ্যে একই রকম আবহাওয়া পরিস্থিতি দেখা যায়নি। মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরায় ৫০ শতাংশ, ৪৬ শতাংশ ও ৩৮ শতাংশ বৃষ্টিপাতের ঘাটতি হয়েছে এখনো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ