শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময় গণভোটের রায় পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে সরকার বিপদে পড়বে: খেলাফত মজলিস

পরীক্ষার ছুটি, কওমি শিক্ষকদের সময় কাজে লাগানোর শ্রেষ্ঠ ৪ উপায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| আদিয়াত হাসান ||

শেষ হলো দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর প্রথম সাময়িক পরীক্ষা। দীর্ঘ একসপ্তাহের ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। কওমি মাদরাসার শিক্ষকরা এই অবসরকে বিভিন্নভাবে সামাজিক ও নিজেদের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন। এক্ষেত্রে দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবীদদের চারটি পরামর্শ তুলে ধরছি-

এক. একজন কওমি শিক্ষককে প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে, তিনি জাতির রাহবার। সেদিক বিচেনায় তাকে তার সময়গুলো মূল্যায়ন করতে হবে। আলেম হিসেবে জাতির নেতৃত্বশীলদের একজন বিবেচনায় প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে জনসম্পৃক্ততা তৈরিতে ছুটির সময়কে কাজে লাগাতে পারেন।

দুই. শিক্ষকতার নানা দায়িত্বের চাপে অনেক সময় দরসি কিতাবের বাইরে তেমন কোনো কিতাব বা বই পড়া হয় না। প্রায় এক সপ্তাহের এই পাঠ বিরতিতে আকাবির ও মনীষীদের জীবনী অধ্যয়ন করা যেতে পারে। এবং নিজেকে আরো বিচক্ষণ ও  যোগ্য উস্তাদ হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান বিশ্ব, রাজনীতি, পরিবেশ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা অর্জনের চেষ্টা করা যেতে পারে।

তিন. বর্তমান সময়ে মাদরাসার বাইরের পরিবেশে যেসব অপসংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়েছে নিজের গাঁয়ে ফিরে গিয়ে সমাজের মানুষকে এসব বিষয়ে সতর্ক করা যেতে পারে। এবং যারা নির্দিষ্ট কোনো মসজিদের সঙ্গে যুক্ত নেই সম্ভব হলে নিজ এলাকার মসজিদের ইমাম ও খতিবদের থেকে চেয়ে একদিন জুমা পড়ানোর দায়িত্ব নিতে পারেন। সেখানে সমাজের নানান বিষয় নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করতে পারেন।

চার. দেশের নির্দিষ্ট পরিমাণ শিক্ষার্থী মাদরাসায় ইলমে দ্বীন হাসিল করেন, এর বাইরে বিশাল একটি অংশ ইলমে দ্বীন ও সঠিক ইসলামী শিক্ষা থেকে দূরে রয়েছেন। তবে তারা দ্বীন ও দ্বীনের রাহবার আলেম সমাজকে মন থেকে ভালোবাসেন, বন্ধের সময়ে কওমি ওলামায়ে কেরাম তাদের কুরআন সহী-শুদ্ধ করতে ও তাদের মাঝে সঠিক ইসলামী মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে কাজ করতে পারেন। এক্ষেত্রে তারা নিজের এলাকার মসজিদে প্রতিদিন নিয়ম করে এক দেড় ঘন্টা সময় নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝে কাজ করতে পারেন।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ