মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ

‘নাগরিকদের মোবাইল ফোন তল্লাশি মানবাধিকারের পরিপন্থী’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক:।। বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমতের সভা-সমাবেশের অধিকার সংবিধানসম্মত মৌলিক অধিকার জানিয়ে নাগরিকদের দেহ, মোবাইল ফোন তল্লাশি গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের পরিপন্থী বলে বিবৃতি দিয়েছে দেশের ২৪ নাগরিক। সেইসঙ্গে বিএনপির ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ কেন্দ্র করে দমন নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা।

আজ রোববার (১১ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে তারা বলেন, বিএনপির প্রস্তুতি সমাবেশে পুলিশের গুলি করে একজনকে হত্যা ও আরও অনেককে আহত করা, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢালাওভাবে গ্রেপ্তার ও মামলা দায়ের এবং বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশের হামলার ঘটনা বাক-স্বাধীনতা ও সভা-সমাবেশের অধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে আমরা মনে করি।

একই সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমতকে দমন করার জন্য পুলিশ বাহিনী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর খবরদারি, নাগরিকদের দেহ ও মোবাইল ফোন তল্লাশিসহ যে বিভিন্ন ধরনের তৎপরতা চালাচ্ছে তা গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের পরিপন্থী বলে তীব্র নিন্দা জানান তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, সভা-সমাবেশের অধিকার আমাদের সংবিধানসম্মত মৌলিক অধিকার। আমরা সরকারকে এ অধিকারের লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। বিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন- নির্যাতন থেকে বিরত থাকার দাবি জানাচ্ছি। উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া যেসব বিএনপির নেতা-কর্মীরা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি করছি।

বিবৃতিদাদাতারা হলেন-- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান, মানবাধিকার কর্মী হামিদা হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, শিক্ষাবিদ আনু মুহাম্মদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সুব্রত চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা ও নাসরিন খন্দকার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইদুল ইসলাম, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, মানবাধিকার কর্মী শারমীন মুরশিদ, শিরিন প হক, নূর খান লিটন, রেহনুমা আহমেদ, আইনজীবী সালমা আলী, হানা সামস আহমেদ, নাসের বখতিয়ার, গবেষক বীণা ডি'কস্টা, সায়দিয়া গুলরুখ ও রোজিনা বেগম।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ