বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবারের হজে ৬৪০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে সৌদি আরব ‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী

আগুন লাগলে যে দোয়া পড়বেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: যেকোন ধরনের বিপদ হুট করেই চলে আসে। তেমনি আগুন লাগার ঘটনাও বলে-কয়ে আসে না। যেকোনো সময়েই হুট করে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঘটে যেতে পারে বিশাল ক্ষতি। একই সাথে নিভে যেতে পারে তরতাজা প্রাণ।

সেই জন্য কোন সময়ে আগুন লাগলে আশপাশে যারা থাকেন তাদের উচিৎ আগুন নেভানোর যাবতীয় চেষ্টা অব্যাহত রাখার আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করা ও মাসনুন দোয়া পড়া।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর ইবনুল আস রা: থেকে বর্ণিত- আল্লাহর রাসূল সা: বলেন, ‘তোমরা যখন কোথাও আগুন দেখ, তখন তোমরা তাকবির দাও অর্থাৎ اَللهُ اَكْبَر পড়ো। কেননা, তাকবির আগুন নিভিয়ে দেয়। (তাবরানি : ১/৩০৭)। তাকবিরের অর্থ : আল্লাহ মহান।

ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ: বলেন, ‘আগুন যত প্রলয়ঙ্করী হোক; তাকবিরের মাধ্যমে তা নিভে যায়। আর আজানের মাধ্যমে শয়তান পলায়ন করে। (আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা : ৫/১৮৮)।

এছাড়াও পবিত্র কুরআনে বর্ণিত একটি আয়াত রয়েছে। যেটি পড়লে আগুন নেভাতে প্রভাব পড়ে, আগুনের ক্রিয়া নিস্তেজ হয়ে আসে। হজরত ইবরাহিম আ:-কে আগুন যেন স্পর্শ না করে, সে নির্দেশ দিয়েছিলেন মহান আল্লাহ তায়ালা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন-

يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ

উচ্চারণ : ‘ইয়া না-রু কু-নি বারদান ওয়া সালামান আলা ইবরাহীম।’ অর্থাৎ ‘হে আগুন! তুমি ইবরাহিমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।’ (সুরা আম্বিয়া : ৬৯)

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ