বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবারের হজে ৬৪০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে সৌদি আরব ‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী

মাহে রমজানে অনেকবার কুরআন খতম করার সহজ নিয়ম!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইসলামি চিন্তাবিদ ও দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী মাহে রমজানে অনেকবার কুরআন খতম করার সহজ নিয়ম বলে দিয়েছেন।

হাদিসে আছে, যখন রমজান আসে বেহেশতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। দোযখের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। শয়তানকে শিকল পড়িয়ে দেয়া হয়। [বুখারি ও মুসলিম]

রমজান মাস হলো সে মাস, যাতে আল কুরআন নাজিল করা হয়েছে। যা মানুষের জন্য হেদায়েত ও সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট নিদর্শন এবং সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাসটি পায়, সে যেন তাতে রোজা পালন করে। (সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৩)।

অল্প অল্প করে নিয়মিত কুরআন পড়লে কুরআন নাজিলের মাসে কুরআন পড়লে কুরআন খতম করা যায়। প্রতি নামাজের পূর্বে বা পরে ৪ পৃষ্ঠা পাঠ করলে ৩০ দিনে এক খতম হবে।

কোনো নামাজের সময় পড়তে না পারলে এ দিনই অন্য সময় পড়ে নিতে হবে। প্রতি নামাজের সময় ৮ পৃষ্ঠা পড়লে ৩০ দিনে ২ খতম
১৬ পৃষ্ঠা পড়লে ৩০ দিনে ৪ খতম এবং ২০ পৃষ্ঠা পড়লে ৩০ দিনে ৫ খতম হবে।

কোরআন শরীফ না বুঝে পড়লে প্রতি হরফে কমপক্ষে ১০ নেকি হয়। পড়তে না জানলে কোরআন শরীফে খুলে আল্লাহর পবিত্র কালামের পাতা ও লেখার দিকে মহব্বতের সাথে তাকিয়ে থাকলেও সওয়াব পাওয়া যায়।

বুঝে পড়লে আরো বেশী নেকি হয়। রমজান উপলক্ষে নেকি ৭০ গুণ বৃদ্ধি করা হয়। নিষ্ঠা ও ভালোবাসার কারণে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ৭০০ থেকে অগণিত গুণ কিংবা বেহিসাব বৃদ্ধি করে থাকেন।

আমাদের মহান ইমাম আবু হানিফা নোমান ইবনে সাবিত রহ. রমজানের দিনে ১ রাতে ১ খতম হিসাবে একমাসে মোট ৬০ খতম করতেন। ইমাম মুহাম্মদ ইবনে তাইমিয়া রহ. জেলখানায় ৮০ তম খতমের সময় কোরআন তিলাওয়াতরত অবস্থায় সেখানেই শাহাদত বরণ করেন।
আল্লাহর খাস বান্দারা এখনও এ ধরণের ইবাদতই করে থাকেন।আসুন, আমরা হাফেজ আলেমগণের মতো ৫/১০ বা ২/৪ খতম কিংবা কমপক্ষে ১টি খতম হলেও করার নিয়্যত করি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ