শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮


বিপৎসীমার ওপর ৫ নদীর পানি


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে দেশের প্রধান ৫টি নদীর পানি ৯টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শুক্রবার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ বুলেটিনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে দেশের চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সকালের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টায় সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার উপরে এবং চট্টগ্রামের দোহাজারি পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

একইসময়ে মাতামুহুরী নদী বান্দরবানের লামা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার উপরে এবং কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপরে এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছিল।

একইসময়ে মনু নদীর পানি মৌলভীবাজারের মনু রেল-ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপরে, মৌলভীবাজার পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

এছাড়া, খোয়াই নদীর পানি হবিগঞ্জের বল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী, বেশ কিছু নদীর পানি সতর্কসীমায় (বিপৎসীমার কাছাকাছি) প্রবাহিত হচ্ছিল।

এর মধ্যে তিস্তা নদী ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (লালমনিরহাট) ও তারাপুর (গাইবান্ধা) স্টেশনে; কুশিয়ারা নদী শেরপুর (মৌলভীবাজার) স্টেশনে; সুরমা নদী কানাইঘাট (সিলেট), ছাতক (সুনামগঞ্জ) ও সুনামগঞ্জ স্টেশনে;সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) স্টেশনে; ছোট ফেনী নদী কোম্পানিগঞ্জ (নোয়াখালী) স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ১০৯ মিলিমিটার এবং দেশের অভ্যন্তরে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ