বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

মরক্কোতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ২৯৬ জনের মৃত্যু


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ২৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক মানুষ।

স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টার দিকে মরক্কোর প্রাচীন শহর ও পর্যটনকেন্দ্র মারাকেশে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

শনিবার সকালে বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মারাকেশ শহরের ৭১ কিমি (৪৪ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে এটলাস পর্বতমালায় ভূপৃষ্ঠের ১৮.দশমিক ৫ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রের কাছাকাছি পাহাড়ি গ্রামগুলোতে অসংখ্য ভবনগুলো ধসে পড়েছে। এলাকাটি দূরবর্তী হওয়ায় সেখানে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা তাৎক্ষণিক নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, মারাকেশের পুরানো শহরের কিছু ভবন ধসে পড়েছে।

দেশটির গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যখন ভূমিকম্পটি আঘাত হানে তখন দেশটির অধিকাংশ মানুষ ছিলেন ঘুমে। শহরটি শক্তিশালী আফটারশকে কেঁপে উঠলে স্থানীয়রা তাদের বাড়ির বাইরে থাকারই সিদ্ধান্ত নেন। গভীর রাতেও তাদের সড়কে অবস্থান করতে দেখা যায়।

আবদেলহাক এল আমরানি নামে এক ব্যক্তি এএফপিকে বলেন, ‘দশ মিনিট ধরে বিদ্যুৎ ও ফোন লাইন বন্ধ ছিল। মানুষ সবাই হতবাক ও আতঙ্কে ছিল। শিশুরা কাঁদছিল এবং অভিভাবকরা হতাশ হয়ে পড়েছিল।’

আল-জাজিরা জানায়, ধসে পড়া বাড়িঘরের নিচে অনেক মানুষ আটকা পড়েছে। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরে রাজধানী রাবাত কেঁপে উঠেছিল। কাসাব্লাঙ্কা এবং এসাউইরাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ