শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময়

কুরআনের শিক্ষা কখনও জ্বলবে না- জাতিসংঘে ইব্রাহিম রাইসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি সুইডেনে বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে কুরআন অবমাননার ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেয়ার সময় এ বিষয়ে নিন্দা জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এ সময় হাতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন শরীফ নিয়ে তিনি বলেন, কুরআনের শিক্ষা কখনও জ্বলবে না।

সুইডেনে কুরআন পোড়ানো এবং হিজাব পরিহিত মেয়েদের ফ্রান্সে স্কুলে যেতে বাধা দেওয়ার মতো ইসলামবিদ্বেষী কাজের নিন্দা করে তিনি বলেন, কুরআন মানুষকে "আধ্যাত্মিকতা, সত্য এবং নৈতিকতার" আমন্ত্রণ জানায়।

মুসলিমদের পবিত্র গ্রন্থের অবমাননা ঠেকাতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাইসি বলেন, “বিশ্ব অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সম্মুখীন হচ্ছে। মানুষের মূল্যবোধকে সংজ্ঞায়িত করতে পারে এমন আল্লাহর বাণীর চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে?

তিনি আরও বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জাতিসংঘের এজেন্ডায় গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইরান। এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের নিরাপত্তাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান।

তিনি আরও বলেন, যারাই বন্ধুত্বের জন্য হাত বাড়িয়ে দেবে তাদের স্বাগত জানানো হবে। স্বাধীন ও শক্তিশালী প্রতিবেশীর মাধ্যমে পুরো অঞ্চলে সুযোগ তৈরি হবে বলেও বিশ্বাস করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।

রাইসি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধকে সমর্থন করে না ইরান। এই সংঘাত বন্ধে যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত তার দেশ।

মাত্র ৫১টি দেশ নিয়ে তৈরি হওয়া সংস্থাটির বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৩। জাতিসংঘের প্রধান শাখা ছয়টি। যার মধ্যে তিনটি শাখাকে মনে করা হয় সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অপরিহার্য। এগুলো হলো- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ ও সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয়।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সংস্থাটির একমাত্র শাখা, যেখানে ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাই প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পায়। প্রতিটি সদস্য দেশই এই সভায় বক্তব্য দিতে পারে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ