শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

ইসরায়েলকে সতর্ক করে যা বললেন নাইম কাসেম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

লেবাননে বিমান ও স্থল হামলা এখনই বন্ধ না করলে ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় আরও রকেট হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছেন হিজবুল্লাহর ভারপ্রাপ্ত প্রধান নাইম কাসেম।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সরাসরি সম্প্রচারিত এক বক্তৃতায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন বলে জানায় আল জাজিরা।

বক্তৃতায় নাইম কাসেম বলেন, "আমি ইসরায়েলের সরকারকে সতর্ক করে বলছি আপনারা যদি এখনই লেবাননে হামলা না থামান তাহলে হিজবুল্লাহ আপনাদের শক্তিশালী ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাবে। আপনারা না থামলে হিজবুল্লাহও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে।"

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ইঙ্গিত করে কাসেম বলেন, হিজবুল্লাহ এখন কেবল "শত্রুকে আঘাত করার" দিকে মনোনিবেশ করছে। আপনারা হামলা চালিয়ে গেলে পরবর্তীতে আমরা ইসরায়েলের আরও দক্ষিণে হামলা চালাবো।

তিনি বলেন, আমরা লেবানন কিংবা ফিলিস্তিনকে বিশ্ব থেকে আলাদা করতে পারি না। তাই আপনারা হামলা অব্যাহত রাখলে আমরাও হামলা চালাবো।

এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত অবসানের একমাত্র সমাধান হচ্ছে যুদ্ধবিরতি বলেও জানান হিজবুল্লাহ প্রধান।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ নিহতের পর গত মাসের ২৭ সেপ্টেম্বর নাইম কাসেম গোষ্ঠীটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৩৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অসংখ্য। হামলায় দেশটি থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১২ লাখেরও বেশি বাসিন্দা। এদের মধ্যে ৪ লাখ শিশু।

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৪২ হাজার ২৮৯ জনে। আহত হয়েছেন ৯৮ হাজার ৬৮৪ জন। আর বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১৯ লাখ বাসিন্দা।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ