শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
একটি ভাইরাল ভিডিও, এক আলেম এবং অজানা কিছু প্রশ্ন ‘উচ্চাভিলাষী বাজেট অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলবে: শায়খে চরমোনাই কওমির ভাবমূর্তি রক্ষায় বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানগুলো যা করতে পারে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী কিশোরী, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার ‘প্রযুক্তি খাতে প্রতি বছর ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে’ যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার করল ইরান দেশের ১০ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে অস্বীকার করায় ২ মুসলিমকে মারধর শরয়ি হালালা বনাম হালালা সেন্টার: আমাদের নৈতিক পরাজয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাখাতে ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইরানের ফতোয়া


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইরানের শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে একটি ফতোয়া জারি করেছেন। তিনি তাদের ‘ঈশ্বরের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে বিশ্বের মুসলমানদের তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

এই ফতোয়ায় বলা হয়েছে, ইসলামি নেতাদের হুমকি দিলে তা ‘সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে, যার শাস্তি ইরানি আইনে মৃত্যু, শূলবিদ্ধকরণ, অঙ্গচ্ছেদ বা নির্বাসন। মুসলিম বা ইসলামী রাষ্ট্রের পক্ষে এদের সঙ্গে সহযোগিতা করাও অবৈধ বলে ফতোয়ায় উল্লেখ করা হয়।

এই ফতোয়া জারির পেছনে ইরান-ইসরায়েল সাম্প্রতিক সংঘর্ষ বড় ভূমিকা রাখে। ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক কর্মকর্তারা নিহত হলে, ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পরিস্থিতি চূড়ান্ত রূপ নেয় যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়, যার জবাবে ইরান কাতারে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে আঘাত হানে।

ফতোয়া এক ধরনের ধর্মীয় আদেশ, যা ইসলামী আইনের ব্যাখ্যার মাধ্যমে একজন শীর্ষ আলেম জারি করেন। ইরানে পূর্বেও এমন বিতর্কিত ফতোয়া জারি হয়েছে, যার মধ্যে সালমান রুশদির বিরুদ্ধে ১৯৮৯ সালের মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ