বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড় ভারতের পুশইন অপচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি: খেলাফত মজলিস বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘সুখবর’ বিশ্বকাপ উন্মাদনা: আবেগের উল্লাসে আদর্শের বিসর্জন

 ৩৩ বছর পর মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের প্রতীক মাহমুদ ঈসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে বন্দিদশায় থাকার পর, যার মধ্যে টানা ১৩ বছর নির্জন কারাবাসও ছিল, হা'মা'স ক'মা'ন্ডা'র এবং ইসরায়েলি কারাগারে অবিচলতার প্রতীক মাহমুদ ইসা মুক্তি পেলেন অবশেষে। অনেক দর কষাকষির পর ফি'লি'স্তি'নি প্রতিরোধ আন্দোলন ও ইসরায়েলি দখলদারদের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তিতে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
 
আল-কাসসাম ব্রিগেডের কমান্ডার আবু আল-বারা নামে পরিচিত মাহমুদ ইসাকে ১৯৯৩ সালে বন্দি করা হয়। দ'খ'লদাররা তাকে পশ্চিম তীরের জেরুজালেমে সর্বপ্রথম আল-কাসসাম ব্রিগেডের সামরিক সেল প্রতিষ্ঠা এবং ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি প্রতিরোধ অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করে।
 
ইসরায়েলি সামরিক আদালত তাকে তিনটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত ৪৬ বছর কারাদণ্ড দেয়, যা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করে যে তাকে কখনও আর মুক্তি দেওয়া হবে না।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্জন কারাবাসে থাকাকালীন মাহমুদ ইসা চরম মানসিক এবং শারীরিক কষ্ট সহ্য করেছিলেন কিন্তু কখনোই দৃঢ় মনোবল হারাননি। কারাগারে কঠোর পরিস্থিতি সত্ত্বেও, তিনি অন্যান্য বন্দীদের শিক্ষামূলক এবং আধ্যাত্মিক পরামর্শদান অব্যাহত রেখেছিলেন, প্রতিরোধ যোদ্ধাদের একটি নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ