সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ইরানকে আরও শক্তিশালী করছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সামরিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মাধ্যমে ইরানকে আবার পারমাণবিক আলোচনায় ফেরাতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই কৌশল উল্টো ফল দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ইভান সাশা শিহান।

ওয়াশিংটনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর চাপ বাড়িয়ে শাসকগোষ্ঠীকে দুর্বল করতে চাইলেও বাস্তবে এতে সরকার আরও সংহত হতে পারে। অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, দীর্ঘদিনের বাইরের চাপের মধ্যেও ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা টিকে থাকার সক্ষমতা দেখিয়েছে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানের মুদ্রা ধসের পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। মানবাধিকার সংস্থার দাবি অনুযায়ী এতে ছয় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যদিও ইরান সরকার স্বীকার করেছে প্রায় তিন হাজার মৃত্যুর কথা। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা জোরদার ও সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

তবে শিহান বলেন, শুধু অর্থনৈতিক সংকট বা বিক্ষোভ দিয়ে শাসন পরিবর্তন সম্ভব নয়, যদি না ভেতর থেকে সংগঠিত বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে ওঠে। তিনি সতর্ক করেন, সামরিক হামলা হলে জাতীয়তাবাদী আবেগ বাড়তে পারে, যার ফলে সরকার বিরোধীদের দমন আরও সহজে করতে পারবে।

তার মতে, সামরিক পথের বদলে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক চাপ, আন্তর্জাতিক আইনি পদক্ষেপ ও আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পন্থা বেশি কার্যকর হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে এবং চলতি বছর ইউরোপীয় ইউনিয়ন একই সিদ্ধান্ত নেয়।

তিনি বলেন, ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে মূলত দেশের ভেতরের পরিস্থিতির ওপর। বাইরের চাপ পরিবর্তন ত্বরান্বিত করতে পারে, কিন্তু তা পরিবর্তন এনে দিতে পারবে না।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ