রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

ঈদ জামাতে গিয়ে তোপের মুখে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ঈদুল ফিতরে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি জানাতে গিয়ে মুসল্লিদের ব্যাপক তোপের মুখে পড়েছেন অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। এক পর্যায়ে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন তারা। 

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ- পশ্চিম সিডনির লাকেম্বা মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। 
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঈদুল ফিতরের নামাজে অংশ নিতে কমিউনিটি নেতাদের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে গাজায় ইসরয়েলি আগ্রাসন নিয়ে অস্ট্রেলীয় সরকারের অবস্থান এবং দেশটিতে ক্রমবর্ধমান ইসলামবিদ্বেষ (ইসলামোফোবিয়া) নিয়ে সৃষ্ট ক্ষোভ থেকে সেখানে উপস্থিত বেশ কিছু মুসল্লি এই দুই নেতাকে ‘গণহত্যা সমর্থক’ বলে অভিযুক্ত করেন এবং “টনি বার্ককে ধিক্কার, আলবানিজকে ধিক্কার” এবং “এদের এখান থেকে বের করে দাও”— শ্লোগান দিতে শুরু করে। 

পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে যান অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। তবে তারা বের হয়ে যাওয়ার সময়েও বেশ কয়েকজন তার দিকে চিৎকার করতে থাকেন। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল ৮টার দিকে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশকে মসজিদে ডাকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। তারা প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজের দিকে চিৎকার করা এক ব্যক্তিকে প্রথমে আটক করলেও পরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেয় এবং মসজিদ ত্যাগ করতে বলে। 

এদিকে লাকেম্বা মসজিদ পরিচালনাকারী সংগঠন লেবানিজ মুসলিম অ্যাসোসিয়েশনের (এলএমএ) সচিব ও মুখপাত্র হাজ্জ গামেল খায়ের এ ঘটনার পর এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজকে নামাজের অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হয়েছিল এবং তারা তাদের দরজা সবার জন্য ‘উন্মুক্ত রাখা অব্যাহত’ রাখবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা বুঝি যে মানুষের আবেগ এখন তুঙ্গে, বিশেষ করে গাজায় চলমান কষ্ট এবং লেবাননের ধ্বংসযজ্ঞের কারণে। আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য এগুলো কোনো দূরের বিষয় নয়। তবে আমাদের পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। দেশের নির্বাচিত নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত হওয়া মানে এই উদ্বেগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা নয়, বরং এভাবেই আমরা তাদের কাছে আমাদের দাবি পৌঁছে দেবো। সম্পৃক্ততা থেকে সরে আসা আমাদের সম্প্রদায়ের কোনো অগ্রগতি করেনি, কিংবা বিদেশের ফলাফলেও কোনো পরিবর্তন আনেনি।’

 এমএম./


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ