শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

পশ্চিমবঙ্গ কার দখলে যাচ্ছে, জানা যাবে আজ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বাংলাদেশ লাগোয়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধান সভা নির্বাচনের ফলাফল আজ সোমবার (৪ মে) ঘোষণা করা হবে। এদিন দিনভর চলবে ভোট গণনা। এ রাজ্যে ক্ষমতার মসনদ কি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিই ধরে রাখবেন, নাকি বিজেপি থাবা বসাবে এই রাজ্যেও, সেটা জানা যাবে আজ।

নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা থেকে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার ফলতা আসন ছাড়া বাকি ২৯৩টি আসনের ভোট গণনা শুরু হবে। প্রথমে গোনা হবে পোস্টাল ব্যালট, এরপর খোলা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন- ইভিএম।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোট গণনা অবাধ ও স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার ওপর কঠোরভাবে নজর রাখা হচ্ছে।

গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। কেবল কিউআর কোডভিত্তিক পরিচয়পত্র থাকলেই গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি মিলবে। কাউন্টিং অবজারভার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ভেতরে ঢুকতে পারবেন না।

তবে আগের তুলনায় এবার গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা কমানো হয়েছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট গণনা হয়েছিল ৯০টি কেন্দ্রে। ২০২১ সালের নির্বাচনে তা বাড়িয়ে করা হয় ১০৮টি। এবার কলকাতাসহ রাজ্যের ৭৭টি গণনাকেন্দ্রে ভোট গণনা করা হচ্ছে, যার মধ্যে কলকাতায় পাঁচটি।

সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশন ৪৩২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এছাড়া ১৬৫ জন অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক এবং ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। উত্তর চব্বিশ পরগনায় গণনা পর্যবেক্ষক রয়েছেন ৪৯ জন।

বুথফেরত সমীক্ষা ইঙ্গিত দিচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে এবার ক্ষমতার পালাবদল হতে পারে এবং ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে। সেক্ষেত্রে মসনদ হারাতে পারে টানা তিন মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস।

২৯৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৪৮ আসন। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে। সেক্ষেত্রে জোট সরকারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বুথফেরত জরিপ যতই বিজেপিকে এগিয়ে রাখুক না কেন, মমতা ব্যানার্জির জনপ্রিয়তা এবং মুসলিমদের ভোট আরও একবার বিজেপিকে ‘বোল্ড আউট’ করে দিতে পারে পশ্চিমবঙ্গ থেকে।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ