বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি যুগ শুরু, শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বাংলাদেশ লাগোয়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শুরু হলো কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপির শাসন। দলটির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

শনিবার (৯ মে) সকালে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি এক বিরল ঘটনা।

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় পাঁচ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন— দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। শুভেন্দুর পর শপথ নেন দিলীপ ঘোষ। তার পর অগ্নিমিত্রা, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু।

শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হলেন, কিন্তু ঘটনাচক্রে কলকাতার ভবানীপুর আসন থেকে জয়ী দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী তিনি।

সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ওই আসন থেকে তিনবার ভোটে লড়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন।

মমতা ব্যানার্জীর এক সময়ের সতীর্থ বা রাজনৈতিক সহকর্মী থেকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার কাছেই পর পর দুটো বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন মমতা ব্যানার্জী। প্রথমবার ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে, আবার এ বছর তার ঘরের মাঠ বলে পরিচিত ভবানীপুর আসনে। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে ‘জায়ান্ট কিলার’ও বলা হচ্ছে ভারতের অনেক গণমাধ্যমে, যিনি মুখ্যমন্ত্রীকে দুবার পরাজিত করেছেন।

সোমবারের ভোট গণনায় বিজেপি রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২০৭টিতে জয়লাভ করে, যার ফলে ব্যানার্জীর সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে এবং এই হিন্দু জাতীয়তাবাদী দলটি রাজ্যে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসে।

এর আগে ১৯৬৭ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল চন্দ্র সেনকে তার নিজের কেন্দ্র আরামবাগে পরাজিত করেছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল ২০২৬-এ। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে ১৫,৫০৫ ভোটে পরাজিত করেছেন। শুধু তাই নয়, অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো তিনিও মেদিনীপুরের নিজস্ব গড় এবং মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র— এই দুই আসনেই জয়লাভ করে বিধানসভায় প্রবেশ করেছেন।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ