বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান

আলেম হত্যার বিচার দাবিতে পার্লামেন্টে সরব মাওলানা ফজলুর রহমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ধর্মীয় আলেমদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (ফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান।

সোমবার (১১ মে) দেওয়া এই প্রস্তাবে তিনি দেশে ধারাবাহিকভাবে আলেম-ওলামাদের লক্ষ্য করে চালানো হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে গুরুতর জাতীয় নিরাপত্তা সংকট হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, ধর্মীয় আলেমদের হত্যা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।জাতীয় পরিষদে উত্থাপিত এই নিন্দা প্রস্তাবকে ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।

পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় আলেমদের লক্ষ্য করে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া ও সংলগ্ন অঞ্চলে এসব ঘটনার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহল।

দীর্ঘদিন ধরেই ওই অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের উপস্থিতি রয়েছে। সীমান্তবর্তী ভৌগোলিক অবস্থান, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের সীমাবদ্ধতার কারণে এখানে সহিংসতা ও হামলার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, বিশেষ করে আলেম-ওলামারা একাধিকবার টার্গেট হামলার শিকার হয়েছেন।

সূত্র: দ্য নিউজ.পিকে

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ