বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা রাজশাহীতে ট্রাক-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ ‘যুক্তরাজ্যের মুসলিমদের সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বে গর্বের বিষয়’ অপরাধের বিচার হোক সমান চোখে, ধর্মীয় পরিচয়ে নয় সুযোগ দিয়ে দেখুন, মাদরাসার ছাত্ররাই বদলে দিতে পারে চিত্র ‘সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে ইসলামি রাষ্ট্র বিনির্মাণের সংগ্রাম জোরদার করতে হবে’ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অক্টোবরে, ২৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে ইসি খেলাফত মজলিস ইউকে সাউথ শাখার তরবিয়াহ মাহফিল অনুষ্ঠিত

কুরআন হিফজ কার্যক্রমে ৬০ বছরের অবদানের জন্য সৌদি বাদশাকে সম্মাননা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

সৌদি আরবে কুরআন হিফজ কার্যক্রমে দীর্ঘ ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পৃষ্ঠপোষকতা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার (১৩ মে) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একটি প্রতিনিধি দল সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের মাধ্যমে বাদশাহ সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মাননা প্রকাশ করে। অনুষ্ঠানে কুরআন হিফজ সংস্থাগুলোর ভূমিকা এবং ইসলামী শিক্ষার প্রসারে তাদের অবদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে বাদশাহ সালমানের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত কুরআন হিফজ কার্যক্রমের ধারাবাহিক উন্নয়ন, কুরআনের শিক্ষা ও তাফসির প্রচার, এবং বিভিন্ন ভাষায় কুরআনের অনুবাদ বিতরণের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করা হয়।

এ সময় প্রতিনিধি দল যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের কাছে একটি বিশেষ সম্মাননা উপহার হস্তান্তর করে। এর মধ্যে ছিল একটি মর্যাদাপূর্ণ শিল্ড, হাতে লেখা পবিত্র কুরআনের কপি এবং রিয়াদের একটি হিফজ সংস্থার মাধ্যমে উপকৃত ২১ হাজারেরও বেশি হাফেজের নামসংবলিত একটি ফলক।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (SPA) জানিয়েছে, এই আয়োজন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সম্মাননা নয়; বরং এটি সৌদি নেতৃত্বের দীর্ঘদিনের কুরআন ও ইসলামি শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

অনুষ্ঠানে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দেশের বিভিন্ন কুরআন হিফজ সংস্থা ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান ইসলামি শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের মতে, এই উদ্যোগগুলো শুধু ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সেবায় সৌদি আরবের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করছে।

সূত্র: সৌদি গেজেট

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ