বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা রাজশাহীতে ট্রাক-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ ‘যুক্তরাজ্যের মুসলিমদের সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বে গর্বের বিষয়’ অপরাধের বিচার হোক সমান চোখে, ধর্মীয় পরিচয়ে নয় সুযোগ দিয়ে দেখুন, মাদরাসার ছাত্ররাই বদলে দিতে পারে চিত্র ‘সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে ইসলামি রাষ্ট্র বিনির্মাণের সংগ্রাম জোরদার করতে হবে’

তালাকের নিয়ত ছাড়া ‘তোরে আমি ছেড়ে দিয়েছি’ বললে কি তালাক হবে?


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: ইন্টারনেট

কোন স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে কথা কাটাকাটির সময় ‘তোরে আমি ছেড়ে দিয়েছি’। স্ত্রী বলেছে: কী বললেন? তারপর স্বামী বলেছে “ তোমাকে আমি আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দিয়েছি, তুমি যা খুশি তা কর, তোমাকে স্বাধীনতা দিয়েছি”।

এখানে কোন তালাকের তালাকের নিয়ত ছিল না। একজন বলছে ‘তালাক হয়ে গেছে’ নিয়ত করতে হবে না। আরেকজন বলেছে ‘নিয়ত ছাড়া তালাক হবে না’।

হযরত এটা নিয়ে খুব টেনশনে আছি যদি মশলাটা একটু বলতেন।

উত্তর-

‘ছেড়ে দিয়েছি’ শব্দটি বাংলাদেশে স্ত্রীর ক্ষেত্রে তালাকের জন্য ‘ছরীহ’ তথা স্পষ্ট শব্দ। এ শব্দে তালাক দেয়া আর তালাক শব্দে তালাক দেয়া একই কথা।

আর ছরীহ তালাকের ক্ষেত্রে নিয়ত থাকা বা না থাকার কোন ধর্তব্যতা নেই। সর্বাবস্থায়ই তা স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বললে তালাক হিসেবে পরিগণিত হয়।

আর কথা কাটাকাটির সময় বলার দ্বারা একথা প্রমাণ করে যে, তালাক উদ্দেশ্যেই কথাটি বলা হয়েছে এটা অস্বিকার করার কোন সুযোগ নেই।

সুতরাং ‘তোরে আমি ছেড়ে দিয়েছি’ বলার দ্বারা এবং দ্বিতীয়বার স্ত্রীর জিজ্ঞাসার জবাবে আবার ‘আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দিয়েছি’ বলার দ্বারা স্ত্রীর উপর দুই তালাকে রেজয়ী পতিত হয়ে গেছে।

তালাকের নিয়ত ছাড়া ‘তুমি যা খুশি তা কর, তোমাকে স্বাধীনতা দিয়েছি’ বলার দ্বারা কোন তালাক পতিত হয়নি।

সুতরাং স্ত্রীকে এখন মৌখিক বা শারীরিকভাবে স্ত্রীসূলভ আচরণ দ্বারা ফিরিয়ে আনতে পারবে।

তবে মনে রাখতে হবে, স্বামী আর এক তালাকের মালিক থাকবে। যদি ভবিষ্যতে আর এক তালাকও প্রদান করে থাকে, তাহলে উক্ত স্ত্রী তার উপর হারাম হয়ে যাবে।

আমাদের পরামর্শ

কিছু হলেই তালাক দেয়া, ছেড়ে দেবার কথা বলা এটা শোভনীয় নয়। কোন ভদ্র স্বামীর জন্য এমন আচরণ কোনভাবেই কাম্য নয়। তাই ভবিষ্যতে এহেন আচরণ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা জরুরী। সূত্র: আহলে হক মিডিয়া

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ