সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

যেসব গুণ মানুষকে জান্নাত লাভের যোগ্য করে তোলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুরা মুমিনূনের প্রথম দিকের আয়াতগুলোতে নয়টি গুণের কথা বলা হয়েছে। সেগুলো অর্জনকারীরা জান্নাতুল ফেরদৌসের উত্তরাধিকারী হবেন। এসব গুণ অর্জনের মাধ্যমেই মুমিনরা আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের যোগ্য হয়ে ওঠেন বলে ব্যাখ্যা পাওয়া যায় বিভিন্ন তাফসিরে।

তাফসিরকার ইমাম শওকানী বলেছেন, এসব গুণধারী ব্যক্তিরাই প্রকৃতপক্ষে ‘ওয়ারিস’ অর্থাৎ জান্নাতের প্রকৃত উত্তরাধিকারী। একই ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাফসিরকার আল-বায়যাবী। তাদের মতে, এসব গুণাবলি যাদের মধ্যে পাওয়া যাবে, তারাই জান্নাতুল ফেরদৌসের জন্য অধিক যোগ্য।

তবে শুধু এই গুণাবলীই নয়, জান্নাতুল ফেরদৌস অর্জনের আরও গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন আলেমরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আল্লাহর পথে জিহাদ, দোয়া, এবং আরও বিভিন্ন সৎকর্মে আগ্রহী হওয়া। কোরআনে বলা হয়েছে, যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস। (সুরা কাহফ, আয়াত : ১০৭)

হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, জান্নাতে একশত স্তর আছে, যা মুজাহিদদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। … তোমরা আল্লাহর কাছে চাইলে জান্নাতুল ফেরদৌস চাইবে, কারণ সেটিই জান্নাতের সর্বোচ্চ ও শ্রেষ্ঠ অংশ। (বুখারি)

আলেমদের মতে, এসব গুণাবলি অর্জনের পাশাপাশি সব সময় নেক আমল একজন মুসলমানকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উপযুক্ত করে তোলে।

কোরআনের বর্ণনায় মুমিনের সেই গুণগুলো তুলে ধরা হলো এখানে—

قَدۡ اَفۡلَحَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ ۙ ١ الَّذِیۡنَ ہُمۡ فِیۡ صَلَاتِہِمۡ خٰشِعُوۡنَ ۙ ٢ وَالَّذِیۡنَ ہُمۡ عَنِ اللَّغۡوِ مُعۡرِضُوۡنَ ۙ ٣ وَالَّذِیۡنَ ہُمۡ لِلزَّکٰوۃِ فٰعِلُوۡنَ ۙ ٤ وَالَّذِیۡنَ ہُمۡ لِفُرُوۡجِہِمۡ حٰفِظُوۡنَ ۙ ٥ اِلَّا عَلٰۤی اَزۡوَاجِہِمۡ اَوۡ مَا مَلَکَتۡ اَیۡمَانُہُمۡ فَاِنَّہُمۡ غَیۡرُ مَلُوۡمِیۡنَ ۚ ٦ فَمَنِ ابۡتَغٰی وَرَآءَ ذٰلِکَ فَاُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡعٰدُوۡنَ ۚ ٧ وَالَّذِیۡنَ ہُمۡ لِاَمٰنٰتِہِمۡ وَعَہۡدِہِمۡ رٰعُوۡنَ ۙ ٨ وَالَّذِیۡنَ ہُمۡ عَلٰی صَلَوٰتِہِمۡ یُحَافِظُوۡنَ ۘ ٩ اُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡوٰرِثُوۡنَ ۙ ١۰ الَّذِیۡنَ یَرِثُوۡنَ الۡفِرۡدَوۡسَ ؕ ہُمۡ فِیۡہَا خٰلِدُوۡنَ ١١ 

নিশ্চয়ই সফলতা অর্জন করেছে মুমিনগণ। যারা তাদের নামাযে আন্তরিকভাবে বিনীত। যারা অহেতুক বিষয় থেকে বিরত থাকে। যারা জাকাত সম্পাদানকারী। যারা নিজ লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে। নিজেদের স্ত্রী ও তাদের মালিকানাধীন দাসীদের ছাড়া অন্য সকলের থেকে, কেননা এতে তারা নিন্দনীয় হবে না। তবে কেউ এ ছাড়া অন্য কিছু কামনা করলে তারাই হবে সীমালঙ্ঘনকারী।

এবং যারা তাদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। এবং যারা নিজেদের নামাযের পরিপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ করে। এরাই হল সেই ওয়ারিশ, যারা জান্নাতুল ফিরদাউসের মীরাস লাভ করবে। তারা তাতে সর্বদা থাকবে। (সুরা আল মুমিনুন, আয়াত : ১-১১)

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ