বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :

এ সপ্তাহে মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীর খতিব যে দুই শায়খ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদে আগামীকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজে ইমামতি কারা করবেন তা নির্ধারণ করেছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে মক্কার মসজিদুল হারামে ইমামতি করবেন শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ। আর মদিনার মসজিদে নববিতে ইমামতি করবেন শায়খ আলী হুযাইফি।

হিজরি ১৪৪৮ সালের ১২ জমাদিউল আউয়াল তারিখে পবিত্র দুই মসজিদে তাদের ইমামতির কথা জানানো হয়েছে।

শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ সৌদি আরবের প্রখ্যাত আলেম, ইসলামি চিন্তাবিদ ও পবিত্র মসজিদুল হারামের জ্যেষ্ঠ ইমাম। তাঁর জন্ম ১৯৫০ সালে সৌদি আরবের কাসিম প্রদেশের বুরাইদাহ শহরে। তিনি মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮৪ সালে তিনি মসজিদুল হারামের ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সেখানে ইমামতি, খুতবা প্রদান ও ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ আলেম পরিষদের সদস্য এবং রাজদরবারের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। ইসলামি জ্ঞানচর্চা ও ইসলামের সেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর একাধিক ধর্মীয় গ্রন্থও রয়েছে।

এদিকে শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি সৌদি আরবের প্রখ্যাত কোরআন তিলাওয়াতকারী ও মদিনার মসজিদে নববির জ্যেষ্ঠ ইমাম। ১৯৪৭ সালে সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলের দক্ষিণাঞ্চলে তাঁর জন্ম। শৈশবেই তিনি পবিত্র কোরআন হিফজ করেন এবং পরবর্তী সময়ে শরিয়াহ ও ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি মদিনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকতা করেছেন।

১৯৭৯ সালে তিনি মসজিদে নববির ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি এ পবিত্র মসজিদে ইমামতি ও খুতবা প্রদানের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮১ সালে তিনি মসজিদুল হারামেও ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন।

কোরআনের বিভিন্ন কিরাআতে তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। তাঁর ধীরস্থির, স্পষ্ট ও সুমধুর তিলাওয়াত মুসলিম বিশ্বের বহু মানুষের কাছে পরিচিত। তিনি মদিনার মুসহাফ পর্যালোচনাসংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক কমিটির প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ