বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান

ছয় মাসে ইইউতে আশ্রয় চেয়েছেন ২১ হাজার বাংলাদেশি


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে এ হার ২৮ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশও।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয়প্রার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইইউএএ) প্রতিবেদনের সূত্র ধরে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইইউ সদস্যভুক্ত ২৭টি দেশ এবং সহযোগী সদস্য দেশ সুইজারল্যান্ড ও নরওয়েতে ৫ লাখ ১৯ হাজার আশ্রয়প্রার্থী আবেদন করেছেন। এ গতি বছরের বাকি সময় অব্যাহত থাকলে ১০ লাখ ছড়িয়ে যেতে পারে।

ইইউএএ জানায়, আশ্রয়ের আবেদনকারীদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ সিরিয়া ও আফগানিস্তানের নাগরিক। তালিকায় এরপরই আছে ভেনেজুয়েলা, তুরস্ক, কলম্বিয়া, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিকরা। ইইউএএ’র হিসাবে গত জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের ২০ হাজার ৯২৬ জন ইইউ দেশগুলোয় আশ্রয় চেয়েছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এমন রেকর্ডসংখ্যক আবেদন এর আগে ২০১৫-১৬ সালে পড়েছিল। ওই সময়ে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হলে বিপুলসংখ্যক সিরিয়ান উদ্বাস্তু এসব দেশে সাহায্য চায়। ওই সংকটকালে ২০১৫ সালে ইইউতে প্রায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার আশ্রয়প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। এর পরের বছর ২০১৬ সালে প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার আশ্রয়প্রার্থী আবেদন করেন।

তুরস্কে অবৈধ অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ২০১৭ সালে ইইউ একটি চুক্তি করে। ওই চুক্তির আওতায় অভিবাসীরা ইউরোপে অনুপ্রবেশের সুযোগ হারান। এরপর ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের সময় ভ্রমণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে অবৈধ আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা আরও কমে আসে।

ইইউএএ বলছে, করোনার আগের সেই ঢেউ আবার বাড়তে শুরু করেছে। ২০২২ সালে আগের বছরগুলোর তুলনায় প্রায় ৫৩ শতাংশ আশ্রয় আবেদন বেড়েছে। এতে অভিবাসীদের নিয়ে আবার চাপের মধ্যে পড়েছে ইইউ সদস্যভুক্ত দেশগুলো।

সংস্থাটি বলছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এমনিতে আশ্রয়প্রার্থী বেড়েছে। সব মিলিয়ে অভিবাসী নিয়ে চাপে আছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। এসব দেশের অভিবাসীদের আলাদা মর্যাদা থাকায় চাপ আরও বাড়ছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ