শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

দেশের ৯০ ভাগ নারী এই কমিশনের বিরুদ্ধে: আমিরে মজলিস


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগ্রহিত

সম্প্রতি নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন যে প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দিয়েছে দেশের ৯০ ভাগ নারী এই কমিশনের বিরুদ্ধে বলে মনে করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এজন্য অনতিবিলম্বে এই কমিশন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারী সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনার নিন্দা জানিয়ে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ইসলামবিরোধী প্রস্তাবনা বাতিল করতে হবে। সাবেক স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আমলেও এত বড় দুঃসাহস কেউ দেখায়নি। তারা ইসলামের আদেশকে বড় বৈষম্য বলে দাবি করেছেন। নিজ ধর্ম বাদ দিয়ে যেকোনো ধর্মের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার অভিব্যক্তি করেছেন। এই কমিশন ইসলামকে কটাক্ষ করেছেন। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ নারী এর বিপক্ষে অবস্থান নেবেন।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চালানো ৫টি গণহত্যা এবং হাজার হাজার গুম খুনের কারণে এই দলের নেতা শেখ হাসিনাসহ সবার বিচার করতে হবে। সবার বিচার শেষে যদি কোনো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী অবশিষ্ট থাকে, তবেই তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হোক। তবে আমার বিশ্বাস, বিচার হলে আওয়ামী লীগ চালানোর মতো কোনো ব্যক্তি থাকবে না।

শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে বাংলাদেশের ৭ কোটি মানুষের ইচ্ছা ও অধিকারকে জলাঞ্জলি দিয়েছেন। তিনি ভারত থেকে ইন্দিরা গান্ধীর দেওয়া ধর্মীয় মতবাদ আমদানি করেন। তখন থেকেই বাংলাদেশ ভারতের শৃঙ্খলে জিম্মি হয়ে আছে। ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে আর কোনোদিন ভারতের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অল্প সময়ে এই সরকার বিভিন্ন উদ্যেগ নিয়েছেন। বিশেষ করে গত মাহে রমজানে দ্রব্যমূল্যের দাম কমিয়েছে, লোডশেডিং হয়নি। এছাড়া বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে।

উক্ত গণ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি শরাফত হুসাইন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক মুসা, কেন্দ্রিয় বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শাহিনুর আলম।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ